লটারিতে টাকার ছবি দেখিয়ে স্কুল শিক্ষার্থী ও কোমলমতি শিশুদের কাছে নকল ও ভেজাল চিপস বিক্রি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি? দুপচাঁচিয়ার অধিকাংশ চায়ের দোকান ও ফাস্টফুডের দোকানে মামা ফুডো প্রোডাক্টস্, ঢাকা- বাংলাদেশ যুক্ত একটি চিপসের মোড়কজাত প্যাকেটে ভিতরে একটি স্টিকারে বিভিন্ন ধরনের টাকার ছবি সহ লটারির মাধ্যমে শিশুদের কাছে টাকার লোভ দেখিয়ে চিপস বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বি.এস.টি.আই,ভোক্তা অধিকার ও উপজেলা খাদ্য পরিদর্শকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেখার কেউ নেই।
সোমবার (৩০মার্চ) পৌর এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,বেশ কিছু স্কুলের সামনে চা- ষ্টলঘর ও তে-মাথা রোড পুরাতন বাজার, গ্রামগঞ্জসহ প্রত্যেকটা এলাকায় বিভিন্ন চায়ের দোকানে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ শিশুরা চিপস কিনে খাচ্ছে। এতে করে অনেক শিক্ষার্থী ও শিশুরা বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
কথা বলেছি বিয়াম স্কুলের শিক্ষক বিপ্লব চন্দ্র মহন্ত বিপুলের সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ ও খাদ্যেপণ্য সঙ্গে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা একসঙ্গে বাজার মনিটরিং বা পরিদর্শনে করলে অনেক অংশে ভেজাল মুক্ত করা সম্ভব। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অর্থের লোভে নকল ও ভেজাল খাদ্য বিক্রি করে আমাদের ছেলে মেয়েদেরকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকায় মেসার্স সানজিদা স্টোর গিয়ে দেখা যায় কিছু ফাস্টফুড খাদ্য নকলে ভরা। একটি চিপসের বস্তায়
খুলে দেখা যায় প্যাকেটের ভিতরে কিছু পরিমাণ চিপস ও সঙ্গে দেওয়া আছে একটি কালার বেলুন।ওই বেলুন টি কি কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি তাহা দোকানদার জানেনা। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে কথা বলি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, ভেজালযুক্ত ফাস্টফুড খেলে শিশুদের কিডনি,লিভার ও পাকস্থলীত আক্রান্ত হতে পারে। এই চিপস কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিশুরা কিনে নিয়ে খাচ্ছে এতে করে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেখার কেউ নেই।
ভোক্তা অধিকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুপচাঁচিয়ার খাদ্য পরিদর্শক মমতা রানী সাহা তিনি জানান,বিষয়টি নিয়ে আমরা মাঠে কাজ করছি। কোন ধরনের ভেজাল খাদ্য বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটা শুধু বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে কোন মিল নেই।
মামা ফুড প্রোডাক্টস্সহ বেশ কিছু ফুট প্রোডাক্টের ঢাকা-বাংলাদেশ লেখা ছাড়া এর গায়ে কোন উৎপাদন তারিখ,মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ও বিএসটিআই এর কোন অনুমোদিত সীলমোহর না থাকায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী নামি দামি ব্র্যান্ডের পাশাপাশি নকল ভেজাল পণ্য ফাস্টফুড ডিসপ্লে করে দোকানদার ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
লটারিতে টাকার ছবি দেখিয়ে স্কুল শিক্ষার্থী ও কোমলমতি শিশুদের কাছে নকল ও ভেজাল চিপস বিক্রি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি? দুপচাঁচিয়ার অধিকাংশ চায়ের দোকান ও ফাস্টফুডের দোকানে মামা ফুডো প্রোডাক্টস্, ঢাকা- বাংলাদেশ যুক্ত একটি চিপসের মোড়কজাত প্যাকেটে ভিতরে একটি স্টিকারে বিভিন্ন ধরনের টাকার ছবি সহ লটারির মাধ্যমে শিশুদের কাছে টাকার লোভ দেখিয়ে চিপস বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বি.এস.টি.আই,ভোক্তা অধিকার ও উপজেলা খাদ্য পরিদর্শকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেখার কেউ নেই।
সোমবার (৩০মার্চ) পৌর এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,বেশ কিছু স্কুলের সামনে চা- ষ্টলঘর ও তে-মাথা রোড পুরাতন বাজার, গ্রামগঞ্জসহ প্রত্যেকটা এলাকায় বিভিন্ন চায়ের দোকানে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ শিশুরা চিপস কিনে খাচ্ছে। এতে করে অনেক শিক্ষার্থী ও শিশুরা বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
কথা বলেছি বিয়াম স্কুলের শিক্ষক বিপ্লব চন্দ্র মহন্ত বিপুলের সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ ও খাদ্যেপণ্য সঙ্গে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা একসঙ্গে বাজার মনিটরিং বা পরিদর্শনে করলে অনেক অংশে ভেজাল মুক্ত করা সম্ভব। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অর্থের লোভে নকল ও ভেজাল খাদ্য বিক্রি করে আমাদের ছেলে মেয়েদেরকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকায় মেসার্স সানজিদা স্টোর গিয়ে দেখা যায় কিছু ফাস্টফুড খাদ্য নকলে ভরা। একটি চিপসের বস্তায়
খুলে দেখা যায় প্যাকেটের ভিতরে কিছু পরিমাণ চিপস ও সঙ্গে দেওয়া আছে একটি কালার বেলুন।ওই বেলুন টি কি কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি তাহা দোকানদার জানেনা। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে কথা বলি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, ভেজালযুক্ত ফাস্টফুড খেলে শিশুদের কিডনি,লিভার ও পাকস্থলীত আক্রান্ত হতে পারে। এই চিপস কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিশুরা কিনে নিয়ে খাচ্ছে এতে করে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেখার কেউ নেই।
ভোক্তা অধিকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুপচাঁচিয়ার খাদ্য পরিদর্শক মমতা রানী সাহা তিনি জানান,বিষয়টি নিয়ে আমরা মাঠে কাজ করছি। কোন ধরনের ভেজাল খাদ্য বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটা শুধু বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে কোন মিল নেই।
মামা ফুড প্রোডাক্টস্সহ বেশ কিছু ফুট প্রোডাক্টের ঢাকা-বাংলাদেশ লেখা ছাড়া এর গায়ে কোন উৎপাদন তারিখ,মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ও বিএসটিআই এর কোন অনুমোদিত সীলমোহর না থাকায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী নামি দামি ব্র্যান্ডের পাশাপাশি নকল ভেজাল পণ্য ফাস্টফুড ডিসপ্লে করে দোকানদার ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে।

আপনার মতামত লিখুন