জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

তিন বছরের ফাতিমাকে বাঁচাতে ভ্যানচালক বাবার আকুতি, বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান



তিন বছরের ফাতিমাকে বাঁচাতে ভ্যানচালক বাবার আকুতি, বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান
ছবি- দৈনিক জয়পুরবার্তা

নওগাঁর নিয়ামতপুরে তিন বছরের শিশু ফাতিমা আহাম্মাদ, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হৃদযন্ত্রে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার ছিদ্র নিয়ে এখন সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসহায় বাবা-মা মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে হাত বাড়িয়েছেন।

ফাতিমা নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর মেয়ে। বর্তমানে সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও জ্বরের সংক্রমণসহ নানা জটিলতা নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে সে। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র এক বছর বয়সে ফাতিমার হৃদরোগ ধরা পড়ে। তখনই চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থাভাবে সেই চিকিৎসা আর করানো সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করেছে।

ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালানো বাবা মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর  পক্ষে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা অসম্ভব। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। আপনারা সবাই একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার ফাতিমা নতুন জীবন পাবে।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:মো:ফাইসাল নাহিদ,  দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। 

কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে ফাতিমার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দ্রুত তাকে ঢাকায় নেওয়া প্রয়োজন।

একটি শিশুর বাঁচার আকুতি- একজন বাবার আর্তনাদ। সমাজের সহৃদয় মানুষদের সহায়তাই হতে পারে ছোট্ট ফাতিমার নতুন জীবনের আশার আলো।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


তিন বছরের ফাতিমাকে বাঁচাতে ভ্যানচালক বাবার আকুতি, বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

নওগাঁর নিয়ামতপুরে তিন বছরের শিশু ফাতিমা আহাম্মাদ, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হৃদযন্ত্রে ৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার ছিদ্র নিয়ে এখন সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অসহায় বাবা-মা মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে হাত বাড়িয়েছেন।

ফাতিমা নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর মেয়ে। বর্তমানে সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও জ্বরের সংক্রমণসহ নানা জটিলতা নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে সে। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র এক বছর বয়সে ফাতিমার হৃদরোগ ধরা পড়ে। তখনই চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থাভাবে সেই চিকিৎসা আর করানো সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করেছে।

ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালানো বাবা মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর  পক্ষে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা অসম্ভব। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। আপনারা সবাই একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার ফাতিমা নতুন জীবন পাবে।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:মো:ফাইসাল নাহিদ,  দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। 

কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলেন, সময়মতো চিকিৎসা পেলে ফাতিমার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দ্রুত তাকে ঢাকায় নেওয়া প্রয়োজন।

একটি শিশুর বাঁচার আকুতি- একজন বাবার আর্তনাদ। সমাজের সহৃদয় মানুষদের সহায়তাই হতে পারে ছোট্ট ফাতিমার নতুন জীবনের আশার আলো।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত