পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে একদিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু হয়।
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর বাঁধন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্ধারিত ছুটি শেষে আজ দুপুর থেকে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে একদিন বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করছে। এসব পণ্য আনলোড করে দেশীয় ট্রাকে লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি আরিফুল ইসলাম জানান, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট যেকোনো ধর্মীয় উৎসব বা সরকারি ছুটির আওতামুক্ত। ফলে সপ্তাহের সাত দিনই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করতে পারেন। পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও যাত্রী পারাপারে কোনো প্রভাব পড়ে না।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে একদিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু হয়।
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর বাঁধন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্ধারিত ছুটি শেষে আজ দুপুর থেকে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে একদিন বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করছে। এসব পণ্য আনলোড করে দেশীয় ট্রাকে লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি আরিফুল ইসলাম জানান, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট যেকোনো ধর্মীয় উৎসব বা সরকারি ছুটির আওতামুক্ত। ফলে সপ্তাহের সাত দিনই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করতে পারেন। পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও যাত্রী পারাপারে কোনো প্রভাব পড়ে না।

আপনার মতামত লিখুন