আক্কেলপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে এক শিক্ষকের পুরো বসতবাড়ি পুড়ে ভস্ম হয়ে গেছে। এতে ওই শিক্ষক পরিবারসহ চরম বিপাকে পড়েছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের কানুপুর মীরপাড়া এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক স্বপন হোসেন ক্ষেতলাল উপজেলার ইটাখোলা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। হঠাৎ প্রতিবেশীরা বাড়ির ভেতর থেকে দাউ দাউ করে আগুন ও ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির তিনটি ঘরসহ আসবাবপত্র, টেলিভিশন, ফ্রিজ, খাট, আলমারি ও প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। ঘরের ভেতরে থাকা সব মালামাল আগুনে ভস্ম হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, “মাগরিবের নামাজের কিছু আগে হঠাৎ দেখি বাড়ির ভেতর দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আমরা কয়েকজন মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি।”
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক স্বপন হোসেন বলেন, “ঘটনার সময় আমরা পাশের শ্বশুরবাড়িতে ছিলাম। হঠাৎ ফোনে আগুন লাগার খবর পাই। এসে দেখি আমার জীবনের সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এখন পড়নের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই।”
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আক্কেলপুর স্টেশনের অফিসার আব্দুল কাদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। খবর পেতে কিছুটা দেরি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আক্কেলপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে এক শিক্ষকের পুরো বসতবাড়ি পুড়ে ভস্ম হয়ে গেছে। এতে ওই শিক্ষক পরিবারসহ চরম বিপাকে পড়েছেন।
শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের কানুপুর মীরপাড়া এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক স্বপন হোসেন ক্ষেতলাল উপজেলার ইটাখোলা টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। হঠাৎ প্রতিবেশীরা বাড়ির ভেতর থেকে দাউ দাউ করে আগুন ও ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির তিনটি ঘরসহ আসবাবপত্র, টেলিভিশন, ফ্রিজ, খাট, আলমারি ও প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। ঘরের ভেতরে থাকা সব মালামাল আগুনে ভস্ম হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, “মাগরিবের নামাজের কিছু আগে হঠাৎ দেখি বাড়ির ভেতর দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আমরা কয়েকজন মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি।”
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক স্বপন হোসেন বলেন, “ঘটনার সময় আমরা পাশের শ্বশুরবাড়িতে ছিলাম। হঠাৎ ফোনে আগুন লাগার খবর পাই। এসে দেখি আমার জীবনের সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। এখন পড়নের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই।”
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আক্কেলপুর স্টেশনের অফিসার আব্দুল কাদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। খবর পেতে কিছুটা দেরি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন