হাড় কাঁপানো শীতে সীমান্তবর্তী এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জয়পুরহাটে ২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার সীমান্ত এলাকায় ৩শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে বাহিনীটি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জয়পুরহাটের কাশিয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ শীতবস্ত্র বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, সেক্টর মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন মাহদীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এসময় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শহীদ হোসেন ও অন্যান্যচিকিৎসকরা।
শীতবস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা পেয়ে শীতার্ত মানুষ বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান বলেন, সীমান্ত এলাকার অসহায়, দরিদ্র মানুষের মনে স্বস্তি ও আনন্দ আনায় বিজিবির কাজ। সেই সাথে তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করলে তাদের সাথে বিজিবির মধ্যকার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
হাড় কাঁপানো শীতে সীমান্তবর্তী এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জয়পুরহাটে ২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার সীমান্ত এলাকায় ৩শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে বাহিনীটি।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জয়পুরহাটের কাশিয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ শীতবস্ত্র বিতরণ ও চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, সেক্টর মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন মাহদীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এসময় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শহীদ হোসেন ও অন্যান্যচিকিৎসকরা।
শীতবস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা পেয়ে শীতার্ত মানুষ বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান বলেন, সীমান্ত এলাকার অসহায়, দরিদ্র মানুষের মনে স্বস্তি ও আনন্দ আনায় বিজিবির কাজ। সেই সাথে তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করলে তাদের সাথে বিজিবির মধ্যকার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন