জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের চারদিঘী গ্রামে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি মেলা প্রশাসনের অনুমোদন না থাকায় বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তবে মেলার আয়োজকরা দাবি করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মৌখিক অনুমতি নিয়েই তারা মেলার আয়োজন করেছিলেন। মেলা বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের অনেক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে চারদিঘী গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির উদ্যোগে দুই দিন ধরে ওই মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট, খেলনা, খাবার ও সাংস্কৃতিক বিনোদনের আয়োজন ছিল। তবে মেলার জন্য উপজেলা প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়া হয়নি।
খবর পেয়ে রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী ঘটনাস্থলে গিয়ে মেলাটি বন্ধের নির্দেশ দেন। এ সময় মেলার আয়োজকদের সঙ্গে প্রশাসনের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে। পরে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে আয়োজকরা মাইকে মেলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসীল ঘোষণার পর অনুমোদন ছাড়া জনসমাগম হয় এমন কোনো মেলা বা অনুষ্ঠান আয়োজন আইনত দণ্ডনীয়। এতে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
মেলার আয়োজক ও চারদিঘী গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সভাপতি রাজু আহম্মেদ বলেন, “প্রতি বছর বিজয় দিবস উপলক্ষে আমাদের গ্রামে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করেছি। লিখিত অনুমতি না পেলেও ইউএনও মহোদয়ের মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতেই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। হঠাৎ করে মেলা বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
তবে আয়োজকদের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা জান্নাত। তিনি বলেন, “মেলার আয়োজন করতে কাউকে কোনো মৌখিক বা লিখিত অনুমতি দেওয়া হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসীল ঘোষণার পর সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। মৌখিক অনুমতির বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আইন অনুযায়ী মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কেউ এমন উদ্যোগ নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের চারদিঘী গ্রামে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি মেলা প্রশাসনের অনুমোদন না থাকায় বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তবে মেলার আয়োজকরা দাবি করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মৌখিক অনুমতি নিয়েই তারা মেলার আয়োজন করেছিলেন। মেলা বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের অনেক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে চারদিঘী গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির উদ্যোগে দুই দিন ধরে ওই মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট, খেলনা, খাবার ও সাংস্কৃতিক বিনোদনের আয়োজন ছিল। তবে মেলার জন্য উপজেলা প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়া হয়নি।
খবর পেয়ে রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী ঘটনাস্থলে গিয়ে মেলাটি বন্ধের নির্দেশ দেন। এ সময় মেলার আয়োজকদের সঙ্গে প্রশাসনের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনাও ঘটে। পরে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে আয়োজকরা মাইকে মেলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসীল ঘোষণার পর অনুমোদন ছাড়া জনসমাগম হয় এমন কোনো মেলা বা অনুষ্ঠান আয়োজন আইনত দণ্ডনীয়। এতে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
মেলার আয়োজক ও চারদিঘী গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সভাপতি রাজু আহম্মেদ বলেন, “প্রতি বছর বিজয় দিবস উপলক্ষে আমাদের গ্রামে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করেছি। লিখিত অনুমতি না পেলেও ইউএনও মহোদয়ের মৌখিক অনুমতির ভিত্তিতেই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। হঠাৎ করে মেলা বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
তবে আয়োজকদের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা জান্নাত। তিনি বলেন, “মেলার আয়োজন করতে কাউকে কোনো মৌখিক বা লিখিত অনুমতি দেওয়া হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপসীল ঘোষণার পর সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। মৌখিক অনুমতির বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আইন অনুযায়ী মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কেউ এমন উদ্যোগ নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন