জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

শীতের তীব্রতায় অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে বিপাকে



শীতের তীব্রতায় অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে বিপাকে
ছবি: সংগৃহীত

শীতের তীব্রতা বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে বিপাকে।শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভোর থেকে সকাল ১০টা পযর্ন্ত ঘন কুয়াশা এর পর সন্ধ্যা লাগলে শুরু হয় হিমেল বাতাস আর কুয়াচ্ছন্ন,জনজীবনে নেমে আসে চরম ভোগান্তি।হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেশি ভাগ ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে দিনমজুর,ভ্যানচালক,

এরপর নিম্ন আয়ের পরিবার গুলো। 

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় উত্তর জনপদ বগুড়ার পশ্চিম অঞ্চল দুপচাঁচিয়া এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।

সরেজমিনে মহাসড়কে সকালের দিকে কুয়াশার কারনে যানবাহনে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে। দৈনন্দিন খেটে খাওয়া  দিনমজুর ও কর্মজীবী মানুষেরা অতিরিক্ত কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে সময়মতো বের হতে পারছে না। এদিকে তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জ্বর সর্দি কাশি সহ ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত প্রবণতা বেড়েছে।কুয়াশা ও অতিরিক্ত শীতের কারণে এর প্রভাব পড়েছে কৃষি জমিতে। কুয়াশার কারণে রবি শস্যের জমিতে ছত্রাক ও বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে ফলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম মিয়া বলেন, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন। 

উপজেলার সাজাপুর গ্রামে সকাল বেলায় ঘুরে পরিবারের কয়েকজন মিলে আগুন পোহাতে দেখা যায়।কথা বলি মোকলেছার রহমানের সঙ্গে,তিনি বলেন এই কনকনে শীতে আগুনের পাশে না থাকলে শরীর টেকে না। ঠান্ডা আর সহ্য হয় না। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত শীত লেগেই থাকে। আগুন পোহানোই এখন একমাত্র ভরসা। তবুও কী করবো, জীবন তো থেমে থাকে না। এই শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষের কষ্ট সবচেয়ে বেশি। ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য 

শীত দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। 

এলাকার সুধীজনেরা বলেন, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য সরকারি,বেসরকারি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শীত নিবারণের জন্য শীত বস্ত্র বিতরণ এছাড়াও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।  শীতের তীব্রতা বাড়লে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যহত হবে। 

শীতের তীব্রতা বাড়লেও হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক রয়েছে। শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডেও রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক। তবে শীতজনিত রোগ থেকে বাঁচতে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গ্রামাঞ্চলে ঘরের ভিতর-বাহিরে খড় জ্বালিয়ে উত্তাপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এতে সৃষ্ট ধোঁয়ায় শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হয়। এটা না করে শিশুদের গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে। ঠান্ডা থেকে নিরাপদে রাখতে হবে,’ যোগ করেন এই চিকিৎসক।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


শীতের তীব্রতায় অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে বিপাকে

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

শীতের তীব্রতা বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে বিপাকে।শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভোর থেকে সকাল ১০টা পযর্ন্ত ঘন কুয়াশা এর পর সন্ধ্যা লাগলে শুরু হয় হিমেল বাতাস আর কুয়াচ্ছন্ন,জনজীবনে নেমে আসে চরম ভোগান্তি।হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেশি ভাগ ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে দিনমজুর,ভ্যানচালক,

এরপর নিম্ন আয়ের পরিবার গুলো। 

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় উত্তর জনপদ বগুড়ার পশ্চিম অঞ্চল দুপচাঁচিয়া এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।

সরেজমিনে মহাসড়কে সকালের দিকে কুয়াশার কারনে যানবাহনে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে। দৈনন্দিন খেটে খাওয়া  দিনমজুর ও কর্মজীবী মানুষেরা অতিরিক্ত কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে সময়মতো বের হতে পারছে না। এদিকে তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জ্বর সর্দি কাশি সহ ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত প্রবণতা বেড়েছে।কুয়াশা ও অতিরিক্ত শীতের কারণে এর প্রভাব পড়েছে কৃষি জমিতে। কুয়াশার কারণে রবি শস্যের জমিতে ছত্রাক ও বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে ফলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম মিয়া বলেন, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন। 

উপজেলার সাজাপুর গ্রামে সকাল বেলায় ঘুরে পরিবারের কয়েকজন মিলে আগুন পোহাতে দেখা যায়।কথা বলি মোকলেছার রহমানের সঙ্গে,তিনি বলেন এই কনকনে শীতে আগুনের পাশে না থাকলে শরীর টেকে না। ঠান্ডা আর সহ্য হয় না। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত শীত লেগেই থাকে। আগুন পোহানোই এখন একমাত্র ভরসা। তবুও কী করবো, জীবন তো থেমে থাকে না। এই শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষের কষ্ট সবচেয়ে বেশি। ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য 

শীত দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। 

এলাকার সুধীজনেরা বলেন, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য সরকারি,বেসরকারি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শীত নিবারণের জন্য শীত বস্ত্র বিতরণ এছাড়াও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন।  শীতের তীব্রতা বাড়লে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যহত হবে। 

শীতের তীব্রতা বাড়লেও হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক রয়েছে। শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডেও রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক। তবে শীতজনিত রোগ থেকে বাঁচতে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গ্রামাঞ্চলে ঘরের ভিতর-বাহিরে খড় জ্বালিয়ে উত্তাপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এতে সৃষ্ট ধোঁয়ায় শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হয়। এটা না করে শিশুদের গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে। ঠান্ডা থেকে নিরাপদে রাখতে হবে,’ যোগ করেন এই চিকিৎসক।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত