সমাধি প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর পর সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রথমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পাশে থাকা নেতাকর্মীদের সরে যেতে অনুরোধ করেন তারেক রহমান। সবাই সরে গেলে তিনি একান্তে কিছুক্ষণ বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নীরবে দোয়া ও মোনাজাত করেন। দীর্ঘ সময় পর মাতৃভূমিতে ফিরে বাবার সমাধির পাশে দাঁড়ানোর এই মুহূর্ত উপস্থিত নেতাকর্মীদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।
এর আগে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধির উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। পথে বিজয় সরণি মোড়ে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড়ে তার গাড়িবহর আটকে যায়। পরে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে গাড়িবহরটি নিরাপদে সমাধি প্রাঙ্গণে পৌঁছে দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত অগণিত মানুষের ঢল নামে। নজিরবিহীন এই জনসমাগমে রাজধানী ঢাকা কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দেশে ফেরার দিন বিকেলে রাজধানীর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরেন। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা বলেন—যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
সমাধি প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর পর সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রথমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পাশে থাকা নেতাকর্মীদের সরে যেতে অনুরোধ করেন তারেক রহমান। সবাই সরে গেলে তিনি একান্তে কিছুক্ষণ বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নীরবে দোয়া ও মোনাজাত করেন। দীর্ঘ সময় পর মাতৃভূমিতে ফিরে বাবার সমাধির পাশে দাঁড়ানোর এই মুহূর্ত উপস্থিত নেতাকর্মীদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।
এর আগে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধির উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। পথে বিজয় সরণি মোড়ে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর ভিড়ে তার গাড়িবহর আটকে যায়। পরে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে গাড়িবহরটি নিরাপদে সমাধি প্রাঙ্গণে পৌঁছে দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত অগণিত মানুষের ঢল নামে। নজিরবিহীন এই জনসমাগমে রাজধানী ঢাকা কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দেশে ফেরার দিন বিকেলে রাজধানীর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরেন। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা বলেন—যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন