রাজশাহীর পদ্মা নদীর মিডিল চরাঞ্চল থেকে ১৫টি ভারতীয় মহিষ জব্দ করেছে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)। জব্দকৃত এই মহিষগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
শুক্রবার সকালে বিজিবি-১ এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চারটি বিওপি— খানপুর, তালাইমারি, খিদিরপুর ও শাহাপুর-এর ৬০ জন সদস্যের একটি সমন্বিত আভিযানিক দল পদ্মা নদীর মিডিলচর এলাকায় অভিযানে নামে। চোরাকারবারীরা ভারত থেকে মহিষগুলো নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পায় এবং মহিষগুলো বিভিন্ন স্থানে ফেলে রেখে অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
উদ্ধারকৃত মহিষের পরিসংখ্যান: তল্লাশি চালিয়ে বিজিবি সদস্যরা মোট ১৫টি মহিষ উদ্ধার করেন। এর মধ্যে:
* খানপুর বিওপি এলাকা থেকে ৪টি।
* তালাইমারি বিওপি এলাকা থেকে ৫টি।
* খিদিরপুর বিওপি এলাকা থেকে ৬টি।
জব্দকৃত মহিষগুলো আইন অনুযায়ী রাজশাহী শুল্ক অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত করতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান রয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান ও যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজশাহীর পদ্মা নদীর মিডিল চরাঞ্চল থেকে ১৫টি ভারতীয় মহিষ জব্দ করেছে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)। জব্দকৃত এই মহিষগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
শুক্রবার সকালে বিজিবি-১ এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ চারটি বিওপি— খানপুর, তালাইমারি, খিদিরপুর ও শাহাপুর-এর ৬০ জন সদস্যের একটি সমন্বিত আভিযানিক দল পদ্মা নদীর মিডিলচর এলাকায় অভিযানে নামে। চোরাকারবারীরা ভারত থেকে মহিষগুলো নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পায় এবং মহিষগুলো বিভিন্ন স্থানে ফেলে রেখে অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
উদ্ধারকৃত মহিষের পরিসংখ্যান: তল্লাশি চালিয়ে বিজিবি সদস্যরা মোট ১৫টি মহিষ উদ্ধার করেন। এর মধ্যে:
* খানপুর বিওপি এলাকা থেকে ৪টি।
* তালাইমারি বিওপি এলাকা থেকে ৫টি।
* খিদিরপুর বিওপি এলাকা থেকে ৬টি।
জব্দকৃত মহিষগুলো আইন অনুযায়ী রাজশাহী শুল্ক অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত করতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান রয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান ও যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন