শীত অয়নান্ত কোনো পূর্ণ দিন নয়; এটি একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত। ইউএসএ টুডের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে শীত অয়নান্ত ঘটবে। এই সময় পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি কাত হয়ে দূরে অবস্থান করে।
শীত অয়নান্তের দিনে সূর্য থাকে মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপর। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত দেখা যায়। বিপরীতে উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, তাই দিন হয় ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘ।
বিবিসির তথ্যমতে, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে ঘোরে। এই কাত থাকার কারণেই পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। অনেকের ধারণা অনুযায়ী সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব ঋতু পরিবর্তনের কারণ নয়—বিজ্ঞানীরা বিষয়টি স্পষ্টভাবে নাকচ করেছেন।
শীত অয়নান্তের পর সূর্য ধীরে ধীরে বিষুবরেখার দিকে উত্তরমুখী যাত্রা শুরু করে, যা প্রায় ছয় মাস ধরে চলতে থাকে। এরপর আসে গ্রীষ্ম অয়নান্ত। সে সময় সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করে এবং উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন।
শীত ও গ্রীষ্ম অয়নান্তের মাঝামাঝি সময়ে ঘটে দুটি বিষুব—মার্চ ও সেপ্টেম্বর মাসে। এ সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়। এই দুই বিষুবের মাধ্যমেই বসন্ত ও শরৎ ঋতুর সূচনা বোঝানো হয়।
জ্যোতির্বিজ্ঞানের দিক থেকে শীত অয়নান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই দিনে সূর্য আকাশে বছরের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকে। তবে এটি সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময়ের চূড়ান্ত দিন নয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
এদিকে বিজ্ঞানীরা আরও জানান, জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তবুও তখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে। এটি আবারও প্রমাণ করে যে, ঋতু পরিবর্তনের মূল কারণ পৃথিবীর সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরার সময় নিজ অক্ষের ওপর কাত হয়ে থাকা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
শীত অয়নান্ত কোনো পূর্ণ দিন নয়; এটি একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত। ইউএসএ টুডের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৯টা ৩ মিনিটে শীত অয়নান্ত ঘটবে। এই সময় পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি কাত হয়ে দূরে অবস্থান করে।
শীত অয়নান্তের দিনে সূর্য থাকে মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপর। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত দেখা যায়। বিপরীতে উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ে সবচেয়ে কম, তাই দিন হয় ছোট এবং রাত হয় দীর্ঘ।
বিবিসির তথ্যমতে, পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে ঘোরে। এই কাত থাকার কারণেই পৃথিবীতে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। অনেকের ধারণা অনুযায়ী সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব ঋতু পরিবর্তনের কারণ নয়—বিজ্ঞানীরা বিষয়টি স্পষ্টভাবে নাকচ করেছেন।
শীত অয়নান্তের পর সূর্য ধীরে ধীরে বিষুবরেখার দিকে উত্তরমুখী যাত্রা শুরু করে, যা প্রায় ছয় মাস ধরে চলতে থাকে। এরপর আসে গ্রীষ্ম অয়নান্ত। সে সময় সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করে এবং উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় বছরের সবচেয়ে বড় দিন।
শীত ও গ্রীষ্ম অয়নান্তের মাঝামাঝি সময়ে ঘটে দুটি বিষুব—মার্চ ও সেপ্টেম্বর মাসে। এ সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়। এই দুই বিষুবের মাধ্যমেই বসন্ত ও শরৎ ঋতুর সূচনা বোঝানো হয়।
জ্যোতির্বিজ্ঞানের দিক থেকে শীত অয়নান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই দিনে সূর্য আকাশে বছরের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকে। তবে এটি সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময়ের চূড়ান্ত দিন নয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
এদিকে বিজ্ঞানীরা আরও জানান, জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে। তবুও তখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে। এটি আবারও প্রমাণ করে যে, ঋতু পরিবর্তনের মূল কারণ পৃথিবীর সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরার সময় নিজ অক্ষের ওপর কাত হয়ে থাকা।

আপনার মতামত লিখুন