বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি, নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন-না হওয়ায় দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আদমদীঘি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে শনিবার দিনব্যাপী কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা (FWV), পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (FPI) এবং পরিবার কল্যাণ সহকারী (FWA)সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মচারীরা অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এখনও তাদের নিয়োগ বিধি বাস্তবায়িত হয়নি। এর ফলে পদোন্নতি, কাঠামোগত সুবিধা এবং পেশাগত উন্নয়নে তারা বারবার বঞ্চিত হচ্ছেন।
পরিবার কল্যাণ সহকারী সমিতির বগুড়া জেলা শাখার সদস্য দেওয়ান শাহিনা আক্তার জানান,
“আমি ১৯৮৯ সালে চাকরিতে যোগদান করি এবং ১৯৯৬ সালে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হই। কিন্তু ২৬ বছর পার হলেও নিয়োগ বিধির কোনো অগ্রগতি নেই। যে পদে যোগ দিয়েছি, সেই পদেই অবসর নিতে হচ্ছে- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।”
তিনি আরও বলেন, “বছরের পর বছর ধরে অধিদপ্তর শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। বাস্তবে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সমস্যার সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক সমিতির বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন বলেন, “২০০৮ সাল থেকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতে মাঠ কর্মচারীরা নিয়োগ পেলেও আজ পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বিধি গেজেট হয়নি। অধিদপ্তর বারবার ‘হবে’ বললেও ২৬ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। এতে আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সঠিক কাঠামো না থাকায় তাদের পেশাগত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা দ্রুত নিয়োগ বিধি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। কর্মসূচিতে শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন এবং তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে নিয়োগ বিধি বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন।
এদিকে কর্মসূচির কারণে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের বেশ কিছু কার্যক্রম ব্যাহত হলেও কর্মচারীরা জানান, তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হলে কর্মসূচি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি, নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন-না হওয়ায় দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আদমদীঘি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে শনিবার দিনব্যাপী কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা (FWV), পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (FPI) এবং পরিবার কল্যাণ সহকারী (FWA)সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মচারীরা অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এখনও তাদের নিয়োগ বিধি বাস্তবায়িত হয়নি। এর ফলে পদোন্নতি, কাঠামোগত সুবিধা এবং পেশাগত উন্নয়নে তারা বারবার বঞ্চিত হচ্ছেন।
পরিবার কল্যাণ সহকারী সমিতির বগুড়া জেলা শাখার সদস্য দেওয়ান শাহিনা আক্তার জানান,
“আমি ১৯৮৯ সালে চাকরিতে যোগদান করি এবং ১৯৯৬ সালে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হই। কিন্তু ২৬ বছর পার হলেও নিয়োগ বিধির কোনো অগ্রগতি নেই। যে পদে যোগ দিয়েছি, সেই পদেই অবসর নিতে হচ্ছে- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।”
তিনি আরও বলেন, “বছরের পর বছর ধরে অধিদপ্তর শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। বাস্তবে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সমস্যার সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক সমিতির বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন বলেন, “২০০৮ সাল থেকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতে মাঠ কর্মচারীরা নিয়োগ পেলেও আজ পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বিধি গেজেট হয়নি। অধিদপ্তর বারবার ‘হবে’ বললেও ২৬ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। এতে আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সঠিক কাঠামো না থাকায় তাদের পেশাগত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা দ্রুত নিয়োগ বিধি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। কর্মসূচিতে শতাধিক কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন এবং তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে নিয়োগ বিধি বাস্তবায়নের দাবি তুলে ধরেন।
এদিকে কর্মসূচির কারণে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের বেশ কিছু কার্যক্রম ব্যাহত হলেও কর্মচারীরা জানান, তাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হলে কর্মসূচি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন