“আর কত পরীক্ষা দিলে ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়া যাবে?”— এমন প্রশ্ন রেখে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জয়পুরহাট-১ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত ও আওয়ামী সরকারের আমলে সবচেয়ে নির্যাতিত নেতা হিসেবে পরিচিত আব্দুল গফুর মন্ডল।
রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পাঁচবিবি পাঁচমাথা চত্বরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আব্দুল গফুর মন্ডল বলেন, “বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে আমি জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করেছি। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমার নামে ২৬/২৭টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এসব মামলায় আমি দীর্ঘ সময় গৃহচ্যুত ছিলাম। এমনকি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জেলখানা থেকে গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আল্লাহর রহমতে আমি প্রাণে বেঁচে গেছি। তবুও আমি নেতাকর্মীদের সংগঠিত রেখেছি, দলের দুঃসময়ে পাশে থেকেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমার রাজনীতির বয়স যাদের নেই, তারাই আজ মনোনয়ন পাচ্ছে—এতে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা হতাশ। তাই জয়পুরহাট-১ আসনের বাস্তব পরিস্থিতি ও নিজস্ব জরিপের আলোকে পুনর্বিবেচনার জন্য আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।”
পাঁচবিবি উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওলাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, আটাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নওশাদ আলী মন্ডল, আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুর রহমান, মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রাব্বু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আইনুল ইসলাম, ধরঞ্জী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ ও সহ-সভাপতি আবু নছর চৌধুরী।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এসএম মাসুম, কুসুম্বা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ শামীম হোসেন, যুবদল নেতা আলম হোসেন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মোরছালিন, মোঃ নুরউল্লাহ ও মহিপুর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাকিম হোসেনসহ জেলা, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভার আগে পাঁচবিবি ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে একটি বিশাল র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচমাথা চত্বরে এসে সমাবেশে পরিণত হয়।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ নভেম্বর ২০২৫
“আর কত পরীক্ষা দিলে ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়া যাবে?”— এমন প্রশ্ন রেখে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জয়পুরহাট-১ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত ও আওয়ামী সরকারের আমলে সবচেয়ে নির্যাতিত নেতা হিসেবে পরিচিত আব্দুল গফুর মন্ডল।
রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পাঁচবিবি পাঁচমাথা চত্বরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আব্দুল গফুর মন্ডল বলেন, “বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে আমি জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করেছি। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমার নামে ২৬/২৭টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এসব মামলায় আমি দীর্ঘ সময় গৃহচ্যুত ছিলাম। এমনকি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জেলখানা থেকে গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আল্লাহর রহমতে আমি প্রাণে বেঁচে গেছি। তবুও আমি নেতাকর্মীদের সংগঠিত রেখেছি, দলের দুঃসময়ে পাশে থেকেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমার রাজনীতির বয়স যাদের নেই, তারাই আজ মনোনয়ন পাচ্ছে—এতে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা হতাশ। তাই জয়পুরহাট-১ আসনের বাস্তব পরিস্থিতি ও নিজস্ব জরিপের আলোকে পুনর্বিবেচনার জন্য আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।”
পাঁচবিবি উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওলাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, আটাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নওশাদ আলী মন্ডল, আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুর রহমান, মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রাব্বু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আইনুল ইসলাম, ধরঞ্জী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ ও সহ-সভাপতি আবু নছর চৌধুরী।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এসএম মাসুম, কুসুম্বা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ শামীম হোসেন, যুবদল নেতা আলম হোসেন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মোরছালিন, মোঃ নুরউল্লাহ ও মহিপুর কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাকিম হোসেনসহ জেলা, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভার আগে পাঁচবিবি ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে একটি বিশাল র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচমাথা চত্বরে এসে সমাবেশে পরিণত হয়।

আপনার মতামত লিখুন