জয়পুরহাট    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

বাগান খুঁড়তেই মিলল ১০ কোটি সোনার মুদ্রা!



বাগান খুঁড়তেই মিলল ১০ কোটি সোনার মুদ্রা!

বাসার পাশের বাগানে সুইমিং পুল বানাতে চেয়েছিলেন ফ্রান্সের এক ব্যক্তি। মে মাসের মনোরোম পরিবেশে যখন তিনি মাটি খুঁড়ছিলেন তখনই তাজ্জব বনে যান। মাটির তলায় দেখতে পান বিশাল স্বর্ণের ভাণ্ডার। এটা কোনো গল্প নয়, সত্যিই ঘটেছে।


ফ্রান্সের নিউভিল-সুর-সোয়ান মেট্রোপলিসে এই ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লে প্রোগ্রেস’র বরাতে এএফপি জানিয়েছে, মাটির নিচে প্লাস্টিক ব্যাগে রাখা পাঁচটি স্বর্ণের বার ও বহু স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া গেছে।


ওই সোনার বার ও শতাধিক স্বর্ণের মুদ্রার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। 


শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি গত মে মাসে খননকাজের সময় মাটির নিচে এই বিপুল সোনা খুঁজে পান। তখনই স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। তবে এই সোনা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের অংশ না হওয়ায় আইন অনুযায়ী তা ওই ব্যক্তিকে নিজের কাছে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, সোনাগুলো বৈধভাবে অর্জিত হয়েছিল এবং ১৫ বা ২০ বছর আগে কাছাকাছি এক রিফাইনারিতে তা গলানো হয়েছিল। 


শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাগানের আগের মালিক মারা গেছেন। ফলে কীভাবে এই সোনা সেখানে এলো, তা এখনো রহস্য।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাগান খুঁড়তেই মিলল ১০ কোটি সোনার মুদ্রা!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

বাসার পাশের বাগানে সুইমিং পুল বানাতে চেয়েছিলেন ফ্রান্সের এক ব্যক্তি। মে মাসের মনোরোম পরিবেশে যখন তিনি মাটি খুঁড়ছিলেন তখনই তাজ্জব বনে যান। মাটির তলায় দেখতে পান বিশাল স্বর্ণের ভাণ্ডার। এটা কোনো গল্প নয়, সত্যিই ঘটেছে।


ফ্রান্সের নিউভিল-সুর-সোয়ান মেট্রোপলিসে এই ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লে প্রোগ্রেস’র বরাতে এএফপি জানিয়েছে, মাটির নিচে প্লাস্টিক ব্যাগে রাখা পাঁচটি স্বর্ণের বার ও বহু স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া গেছে।


ওই সোনার বার ও শতাধিক স্বর্ণের মুদ্রার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। 


শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি গত মে মাসে খননকাজের সময় মাটির নিচে এই বিপুল সোনা খুঁজে পান। তখনই স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। তবে এই সোনা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের অংশ না হওয়ায় আইন অনুযায়ী তা ওই ব্যক্তিকে নিজের কাছে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, সোনাগুলো বৈধভাবে অর্জিত হয়েছিল এবং ১৫ বা ২০ বছর আগে কাছাকাছি এক রিফাইনারিতে তা গলানো হয়েছিল। 


শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাগানের আগের মালিক মারা গেছেন। ফলে কীভাবে এই সোনা সেখানে এলো, তা এখনো রহস্য।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত