জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নির্মম পরিণতি! প্রেমের সাক্ষাৎ হলো মৃত্যুর সাক্ষাৎ



প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নির্মম পরিণতি! প্রেমের সাক্ষাৎ হলো মৃত্যুর সাক্ষাৎ
ছবি- সংগ্রহীত

 রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার এক কিশোর ১২ দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শেষ পর্যন্ত হার মেনেছে। নিহত কিশোরের নাম মো. শিহাব (১৭)। সে উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মিজানুর রহমান রিপনের ছেলে। চলতি বছর এসএসসি পাস করে শিহাব।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ২০ অক্টোবর রাতে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সেদিন রাতে শিহাব পার্শ্ববর্তী বান্দুড়িয়া এলাকায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যায়। স্থানীয় তেতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে প্রেমিকার পরিবারের কয়েকজন আত্মীয় তাকে তাড়া করে। শিহাব নিজেকে বাঁচাতে দৌড়ে পালিয়ে কাছের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু তার পিছু নেওয়া কয়েকজন পুকুরে নেমে তাকে ধরে নির্মমভাবে মারধর করে।

প্রচণ্ড পিটুনিতে শিহাব জ্ঞান হারালে তাকে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তিনি তখন থেকেই অচেতন অবস্থায় ছিলেন।

ঘটনার চার দিন পর নিহতের বাবা মিজানুর রহমান রিপন বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নয়জনকে নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাত আরও আট-নয়জনকে আসামি করা হয়। নামীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—রতন আলী (৩২), মো. কানন (২২), সুজন আলী (৩২), ইয়ার উদ্দীন (৩২), মো. শরীফ (৩৫), মো. রাব্বি (২৫), মো. হালিম (৩০) ও মো. কলিম (৩২)।

তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ মামলার কোনও আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শিহাব হামলার শিকার হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নির্মম পরিণতি! প্রেমের সাক্ষাৎ হলো মৃত্যুর সাক্ষাৎ

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

 রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার এক কিশোর ১২ দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শেষ পর্যন্ত হার মেনেছে। নিহত কিশোরের নাম মো. শিহাব (১৭)। সে উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মিজানুর রহমান রিপনের ছেলে। চলতি বছর এসএসসি পাস করে শিহাব।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ২০ অক্টোবর রাতে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সেদিন রাতে শিহাব পার্শ্ববর্তী বান্দুড়িয়া এলাকায় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যায়। স্থানীয় তেতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে প্রেমিকার পরিবারের কয়েকজন আত্মীয় তাকে তাড়া করে। শিহাব নিজেকে বাঁচাতে দৌড়ে পালিয়ে কাছের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু তার পিছু নেওয়া কয়েকজন পুকুরে নেমে তাকে ধরে নির্মমভাবে মারধর করে।

প্রচণ্ড পিটুনিতে শিহাব জ্ঞান হারালে তাকে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তিনি তখন থেকেই অচেতন অবস্থায় ছিলেন।

ঘটনার চার দিন পর নিহতের বাবা মিজানুর রহমান রিপন বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নয়জনকে নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাত আরও আট-নয়জনকে আসামি করা হয়। নামীয় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—রতন আলী (৩২), মো. কানন (২২), সুজন আলী (৩২), ইয়ার উদ্দীন (৩২), মো. শরীফ (৩৫), মো. রাব্বি (২৫), মো. হালিম (৩০) ও মো. কলিম (৩২)।

তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ মামলার কোনও আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শিহাব হামলার শিকার হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত