বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ, তবে হাসি ফুটেনি টাইগার শিবিরে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ফলে রোমাঞ্চকর এই লড়াই শেষ হয় হতাশায়।
বাংলাদেশের হয়ে সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামেন সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান। বল হাতে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার আকিল হোসেন। ওভারের প্রথম বলেই ওয়াইড দেন তিনি, এরপরের বলটি নো—ফলে বল না করেই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৪ রান। তখন সমীকরণ দাঁড়ায় ৬ বলে ৬ রান।
প্রথম বৈধ বলে সৌম্য নেন এক রান, দ্বিতীয় বল ডট, তৃতীয় বলে সাইফ নেন এক রান। চতুর্থ বলে আউট হন সৌম্য সরকার। নতুন ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত পঞ্চম বলে এক রানের বেশি নিতে পারেননি। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩ রান, কিন্তু সাইফ নিতে সক্ষম হন মাত্র এক রান। শেষ পর্যন্ত দুই রানে হার মানে বাংলাদেশ, যা টাইগারদের ইতিহাসে প্রথম সুপার ওভারের পরাজয় হিসেবে জায়গা করে নিল।
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে সুপার ওভারে বল করেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলেই শাই হোপ এক রান নেন। দ্বিতীয় বলে রাদারফোর্ড ক্যাচ তুলে দেন, তবে পরের কয়েক বল সামলে ওঠেন হোপ। প্রথম পাঁচ বলে মুস্তাফিজ দেন ৬ রান, কিন্তু শেষ বলে হজম করেন বাউন্ডারি। ফলে এক উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১০ রান, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
রোমাঞ্চে ভরপুর এই ম্যাচে জয় না পেলেও, ইতিহাসের পাতায় প্রথম সুপার ওভার খেলল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল—যা সমর্থকদের মনে রেখে গেল মিশ্র অনুভূতি ও ভবিষ্যতের আশার আলো।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ, তবে হাসি ফুটেনি টাইগার শিবিরে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ফলে রোমাঞ্চকর এই লড়াই শেষ হয় হতাশায়।
বাংলাদেশের হয়ে সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামেন সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান। বল হাতে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার আকিল হোসেন। ওভারের প্রথম বলেই ওয়াইড দেন তিনি, এরপরের বলটি নো—ফলে বল না করেই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৪ রান। তখন সমীকরণ দাঁড়ায় ৬ বলে ৬ রান।
প্রথম বৈধ বলে সৌম্য নেন এক রান, দ্বিতীয় বল ডট, তৃতীয় বলে সাইফ নেন এক রান। চতুর্থ বলে আউট হন সৌম্য সরকার। নতুন ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত পঞ্চম বলে এক রানের বেশি নিতে পারেননি। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩ রান, কিন্তু সাইফ নিতে সক্ষম হন মাত্র এক রান। শেষ পর্যন্ত দুই রানে হার মানে বাংলাদেশ, যা টাইগারদের ইতিহাসে প্রথম সুপার ওভারের পরাজয় হিসেবে জায়গা করে নিল।
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে সুপার ওভারে বল করেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলেই শাই হোপ এক রান নেন। দ্বিতীয় বলে রাদারফোর্ড ক্যাচ তুলে দেন, তবে পরের কয়েক বল সামলে ওঠেন হোপ। প্রথম পাঁচ বলে মুস্তাফিজ দেন ৬ রান, কিন্তু শেষ বলে হজম করেন বাউন্ডারি। ফলে এক উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১০ রান, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
রোমাঞ্চে ভরপুর এই ম্যাচে জয় না পেলেও, ইতিহাসের পাতায় প্রথম সুপার ওভার খেলল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল—যা সমর্থকদের মনে রেখে গেল মিশ্র অনুভূতি ও ভবিষ্যতের আশার আলো।

আপনার মতামত লিখুন