সারা দেশের মতো নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাও ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শেষে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। উপলক্ষে রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষের নিকট একটি লিখিত আবেদনপত্র জমা দেন।
এর আগে বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি প্রতিনিধিরা নিজেদের সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন আদায়ে সম্মতিসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। এ কর্মসূচিতে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিপ্লোমা কোর্স শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদপত্র ও স্মারক। এটি শিক্ষাজীবনের এক স্মরণীয় ও গর্বের অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
তারা আরও বলেন, চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পর ডিপ্লোমা কোর্স শেষ হলেও আমাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বিদায় কিংবা স্বীকৃতিমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় না। একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুধু স্মরণীয় মুহূর্তই নয়, বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়তেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫
সারা দেশের মতো নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাও ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শেষে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজনের দাবি জানিয়েছে। উপলক্ষে রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষের নিকট একটি লিখিত আবেদনপত্র জমা দেন।
এর আগে বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি প্রতিনিধিরা নিজেদের সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন আদায়ে সম্মতিসূচক স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। এ কর্মসূচিতে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে পলিটেকনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিপ্লোমা কোর্স শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যেখানে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদপত্র ও স্মারক। এটি শিক্ষাজীবনের এক স্মরণীয় ও গর্বের অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
তারা আরও বলেন, চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের পর ডিপ্লোমা কোর্স শেষ হলেও আমাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বিদায় কিংবা স্বীকৃতিমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় না। একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুধু স্মরণীয় মুহূর্তই নয়, বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়তেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন