জয়পুরহাট    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

পোরশায় পুনর্ভবা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৭টি অবৈধ জাল জব্দ



পোরশায় পুনর্ভবা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৭টি অবৈধ জাল জব্দ
ছবি- দৈনিক জয়পুরবার্তা

নওগাঁর পোরশায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে পুনর্ভবা নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরার ১৭টি সুতি ও রিং জাল জব্দ করা হয়েছে।


জানা গেছে, সুতি ও রিং জাল ব্যবহারে জীববৈচিত্র বিনষ্ট হয়,নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়, আশেপাশের ফসলি 

জমি বিনষ্ট হয়। এ ধরণের জাল ব্যবহার মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। অবৈধ জাল ব্যবহার না করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিদের একাধিকবার সতর্ক করে মাইকিং করা হয়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নদীতে ঐসব অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা অব্যাহত রেখেছিলেন তারা। গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে নদীতে অভিযান চালানো হয়। টের পেয়ে অসাধু মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিরা পালিয়ে যায়। এসময় নদীর বিভিন্ন স্থান হতে অবৈধ ১৭টি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।


অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) নাবিলা ফেরদৌস, উপজেলা মৎস্য অফিসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্য। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রাকিবুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় অপরাধীরা নদীর বিশালতার কারণে বিভিন্নদিকে পালিয়ে যাওয়ায় ধরতে না পারলেও পুনর্ভবা নদী থেকে আমরা ১৭টি অবৈধ রিং জাল অপসারণ করেছি এবং জালে আটকা পড়া শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া, ছোট বড় মাছ, সাপ ও ব্যাঙ নদীতে ছেড়ে দিয়েছি। অভিযান শেষে নদীর  তীরে সকলের উপস্থিতিতে জালগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য এক লক্ষ টাকা। এ ধরণের অভিযান এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে চলবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পোরশায় পুনর্ভবা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৭টি অবৈধ জাল জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

নওগাঁর পোরশায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে পুনর্ভবা নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরার ১৭টি সুতি ও রিং জাল জব্দ করা হয়েছে।


জানা গেছে, সুতি ও রিং জাল ব্যবহারে জীববৈচিত্র বিনষ্ট হয়,নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়, আশেপাশের ফসলি 

জমি বিনষ্ট হয়। এ ধরণের জাল ব্যবহার মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। অবৈধ জাল ব্যবহার না করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিদের একাধিকবার সতর্ক করে মাইকিং করা হয়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নদীতে ঐসব অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা অব্যাহত রেখেছিলেন তারা। গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে নদীতে অভিযান চালানো হয়। টের পেয়ে অসাধু মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবিরা পালিয়ে যায়। এসময় নদীর বিভিন্ন স্থান হতে অবৈধ ১৭টি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।


অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) নাবিলা ফেরদৌস, উপজেলা মৎস্য অফিসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্য। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রাকিবুল ইসলাম জানান, অভিযানের সময় অপরাধীরা নদীর বিশালতার কারণে বিভিন্নদিকে পালিয়ে যাওয়ায় ধরতে না পারলেও পুনর্ভবা নদী থেকে আমরা ১৭টি অবৈধ রিং জাল অপসারণ করেছি এবং জালে আটকা পড়া শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া, ছোট বড় মাছ, সাপ ও ব্যাঙ নদীতে ছেড়ে দিয়েছি। অভিযান শেষে নদীর  তীরে সকলের উপস্থিতিতে জালগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য এক লক্ষ টাকা। এ ধরণের অভিযান এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে চলবে বলেও তিনি জানান।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত