নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. রোকসানা হ্যাপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী এক কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি সময় থাকার নিয়ম না থাকলেও তিনি ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর যোগদানের পর থেকে এখনো পর্যন্ত একই পদে বহাল রয়েছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ডা. হ্যাপির দীর্ঘদিনের অবস্থানকে পুঁজি করে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে রীতিমতো দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত করেছেন। করোনা মহামারির সময় রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে, বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই সময় নার্স ও অ্যাম্বুলেন্স চালকদের জন্য নির্ধারিত প্রণোদনা ভাতার একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয় বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পোশাকের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ থেকেও ঘুষ বাবদ জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা করে কেটে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যেখানে প্রতিজনের প্রাপ্য ছিল ১১ হাজার টাকা।
এছাড়াও, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণের গাছ টেন্ডার ছাড়াই কেটে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাত, দীর্ঘদিন নষ্ট জেনারেটরের মেরামতের নামে ভুয়া বিল তৈরি করে বাজেট নয়-ছয় করার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
রিফাত হোসাইন সবুজ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. রোকসানা হ্যাপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী এক কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি সময় থাকার নিয়ম না থাকলেও তিনি ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর যোগদানের পর থেকে এখনো পর্যন্ত একই পদে বহাল রয়েছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ডা. হ্যাপির দীর্ঘদিনের অবস্থানকে পুঁজি করে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে রীতিমতো দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত করেছেন। করোনা মহামারির সময় রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে, বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই সময় নার্স ও অ্যাম্বুলেন্স চালকদের জন্য নির্ধারিত প্রণোদনা ভাতার একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয় বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পোশাকের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ থেকেও ঘুষ বাবদ জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা করে কেটে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যেখানে প্রতিজনের প্রাপ্য ছিল ১১ হাজার টাকা।
এছাড়াও, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণের গাছ টেন্ডার ছাড়াই কেটে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাত, দীর্ঘদিন নষ্ট জেনারেটরের মেরামতের নামে ভুয়া বিল তৈরি করে বাজেট নয়-ছয় করার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
রিফাত হোসাইন সবুজ

আপনার মতামত লিখুন