দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক সংহতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস।
তিনি বলেছেন, আগামি বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার প্রস্তুত। গো যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সাগি গোরের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। এ বৈঠকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট, পুনর্বাসন, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বিষয় আলোচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর জোর দিয়ে বলেন, আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব বাড়ালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও দ্রুত অর্জন সম্ভব।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সার্ক সম্মেলন আয়োজন না হওয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্ক দুর্বল হয়েছে; নতুন সরকার এ প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে। নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
সভায় অংশ নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান। রোহিঙ্গাদের জীবনমান উন্নয়নে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীর জন্য সহায়তা প্রদানের বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক সংহতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস।
তিনি বলেছেন, আগামি বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার প্রস্তুত। গো যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সাগি গোরের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। এ বৈঠকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট, পুনর্বাসন, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বিষয় আলোচিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর জোর দিয়ে বলেন, আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব বাড়ালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও দ্রুত অর্জন সম্ভব।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে সার্ক সম্মেলন আয়োজন না হওয়ায় আঞ্চলিক সম্পর্ক দুর্বল হয়েছে; নতুন সরকার এ প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে। নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
সভায় অংশ নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান। রোহিঙ্গাদের জীবনমান উন্নয়নে ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীর জন্য সহায়তা প্রদানের বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন