দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একটি ভলকানাইজিং দোকানের হাওয়া মেশিন ব্যবহার করে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। বর্তমানে শিশুটি বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অভিযুক্ত দোকানমালিক মো. আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে শিশুটিকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই পৈশাচিক কান্ড ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ঘোড়াঘাট উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের ডুগডুগীহাট বাজারে অভিযুক্ত আফজাল হোসেনের ভলকানাইজিং দোকানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পূর্বপরিকল্পনা বা অসৎ উদ্দেশ্যে ওই দিন শিশুটির পায়ুপথে হাওয়া মেশিনের পাইপ দিয়ে উচ্চচাপের বাতাস প্রবেশ করানো হয়, যার ফলে শিশুটির অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত ও পায়ুপথ ফেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
শিশুটির বাবা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ছেলের সুন্নতে খতনা (মুসলমানি) উপলক্ষে গত ২৫ অক্টোবর তিনি তার শ্বশুরবাড়ি চৌরিয়া গ্রামে আসেন। ২৬ অক্টোবর খতনা সম্পন্ন হওয়ার পর কর্মস্থল ঢাকায় ফিরে যান তিনি।
গত ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় শশুরবাড়ির লোকজনের মাধ্যমে ছেলের গুরুতর অসুস্থতার খবর পান। তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ও পরীক্ষার-নিরীক্ষার পর শিশুটির শরীরের ভেতরে বাতাস প্রবেশ করানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জানায় যে, অভিযুক্ত আফজাল হোসেনের দোকানে তাকে হাওয়া মেশিন দিয়ে এমন পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শিশুটির উন্নত চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একটি ভলকানাইজিং দোকানের হাওয়া মেশিন ব্যবহার করে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। বর্তমানে শিশুটি বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অভিযুক্ত দোকানমালিক মো. আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে শিশুটিকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই পৈশাচিক কান্ড ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ঘোড়াঘাট উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের ডুগডুগীহাট বাজারে অভিযুক্ত আফজাল হোসেনের ভলকানাইজিং দোকানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পূর্বপরিকল্পনা বা অসৎ উদ্দেশ্যে ওই দিন শিশুটির পায়ুপথে হাওয়া মেশিনের পাইপ দিয়ে উচ্চচাপের বাতাস প্রবেশ করানো হয়, যার ফলে শিশুটির অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত ও পায়ুপথ ফেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
শিশুটির বাবা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ছেলের সুন্নতে খতনা (মুসলমানি) উপলক্ষে গত ২৫ অক্টোবর তিনি তার শ্বশুরবাড়ি চৌরিয়া গ্রামে আসেন। ২৬ অক্টোবর খতনা সম্পন্ন হওয়ার পর কর্মস্থল ঢাকায় ফিরে যান তিনি।
গত ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় শশুরবাড়ির লোকজনের মাধ্যমে ছেলের গুরুতর অসুস্থতার খবর পান। তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ও পরীক্ষার-নিরীক্ষার পর শিশুটির শরীরের ভেতরে বাতাস প্রবেশ করানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জানায় যে, অভিযুক্ত আফজাল হোসেনের দোকানে তাকে হাওয়া মেশিন দিয়ে এমন পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শিশুটির উন্নত চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন