মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, প্রতিভা অন্বেষণ এবং পড়াশোনায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গাইবান্ধায় জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদ্রাসা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শনিবার (২৪ অক্টোবর) গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গাইবান্ধার তিনটি উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩২৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদ্রাসা ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মুফতী আসাদ আকন্দ, ফাউন্ডেশনের গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. শাহ আলম সরকার এবং রাশিদুল হক রাশিদিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরিদর্শনকালে তাঁরা পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ, পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং পরীক্ষা পরিচালনার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা যাচাই, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা বিকাশের সুযোগ পায় এবং ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত হয়।
গাইবান্ধার তিনটি উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩২৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ এ পরীক্ষাকে স্থানীয় মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে পরিণত করেছে। এ ধরনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের পাশাপাশি তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত অধ্যয়ন, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করে। এ ক্ষেত্রে মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে।
বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদ্রাসা ফাউন্ডেশনের এ আয়োজনের মাধ্যমে গাইবান্ধার মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব আরও বৃদ্ধি পাবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, প্রতিভা অন্বেষণ এবং পড়াশোনায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গাইবান্ধায় জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদ্রাসা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শনিবার (২৪ অক্টোবর) গাইবান্ধা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গাইবান্ধার তিনটি উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩২৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদ্রাসা ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মুফতী আসাদ আকন্দ, ফাউন্ডেশনের গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. শাহ আলম সরকার এবং রাশিদুল হক রাশিদিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরিদর্শনকালে তাঁরা পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ, পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং পরীক্ষা পরিচালনার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা যাচাই, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা বিকাশের সুযোগ পায় এবং ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত হয়।
গাইবান্ধার তিনটি উপজেলার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩২৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ এ পরীক্ষাকে স্থানীয় মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে পরিণত করেছে। এ ধরনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের পাশাপাশি তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত অধ্যয়ন, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করে। এ ক্ষেত্রে মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে।
বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদ্রাসা ফাউন্ডেশনের এ আয়োজনের মাধ্যমে গাইবান্ধার মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব আরও বৃদ্ধি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন