জয়পুরহাট    শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলের মৃত্যু



ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলের মৃত্যু
ছবি : প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোকের মধ্যে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বড় ছেলে। মায়ের মৃত্যুর প্রায় সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে মারা যান ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৭)। এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান তাঁর মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫)। 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর)  একই মাঠে মা ও ছেলের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয় তাঁদের।

মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাড়ী উপজেলার বারোকোনা গ্রামে। মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সৈয়দা মাজেদা খাতুন ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শরীরচর্চা শিক্ষক সৈয়দ আবুল মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। আর সুমন ছিলেন তাঁদের বড় ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাসভবনে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। তাঁর মৃত্যুর পর বাড়িতে স্বজনদের ভিড় জমে এবং শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। 

এ সময় মায়ের মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সুমন। পরে রাত ১১টার দিকে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বাবা ও দাদির মৃত্যুতে সুমনের বড় ছেলে সৈয়দ শামীম মেজবাহ (২৪) বুধবার রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

কিছুটা সুস্থ বোধ করলে নামাজ ও দাফনকাজে অংশ নিতে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। শামীম মেজবাহ দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

মা ও ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে বারোকোনা গ্রামসহ ফুলবাড়ীজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোকের মধ্যে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বড় ছেলে। মায়ের মৃত্যুর প্রায় সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে মারা যান ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৭)। এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান তাঁর মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫)। 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর)  একই মাঠে মা ও ছেলের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয় তাঁদের।

মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাড়ী উপজেলার বারোকোনা গ্রামে। মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সৈয়দা মাজেদা খাতুন ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শরীরচর্চা শিক্ষক সৈয়দ আবুল মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। আর সুমন ছিলেন তাঁদের বড় ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাসভবনে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। তাঁর মৃত্যুর পর বাড়িতে স্বজনদের ভিড় জমে এবং শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। 

এ সময় মায়ের মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সুমন। পরে রাত ১১টার দিকে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বাবা ও দাদির মৃত্যুতে সুমনের বড় ছেলে সৈয়দ শামীম মেজবাহ (২৪) বুধবার রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

কিছুটা সুস্থ বোধ করলে নামাজ ও দাফনকাজে অংশ নিতে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। শামীম মেজবাহ দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

মা ও ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে বারোকোনা গ্রামসহ ফুলবাড়ীজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত