নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাদে চাকলা মৌজায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জবরদখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই বর্গাচাষির বিরুদ্ধে।
জমির দাবিদার বাসারতের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের বর্গাচাষিরা তাঁকে জমি ছেড়ে দিতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি।
বাসারত নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত বশির উদ্দিন মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নিয়ামতপুর উপজেলার জামুরহাট গ্রামের ফখরুল আহসান এবং বাদে চাকলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম ওরফে গোলাপ ও মো. ইব্রাহিম। ফখরুলের বর্গাচাষি হিসেবে শহিদুল ও ইব্রাহিম ওই জমি চাষাবাদ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাসারতের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদে চাকলা মৌজার জে.এল. নম্বর ১৫৪, খতিয়ান নম্বর ৮৩-এর ৩৩২, ৩৩৭ ও ৩৫৪ নম্বর দাগের জমির পরিবর্তে একই খতিয়ানের ছয়টি দাগে মোট সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি মৌখিক বিনিময়ের শর্তে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন বাসারত ও ফখরুল। পরে জমির দখল ও মালিকানা নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।
বাসারতের অভিযোগ, ফখরুলের বর্গাচাষি শহিদুল ওরফে গোলাপ ও ইব্রাহিম তাঁর দখলে থাকা জমি জবরদখলের চেষ্টা করছেন। জমি ছেড়ে দিতে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
বাসারত দাবি করেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধে তাঁর পক্ষে আদালতের রায় রয়েছে। এ ছাড়া জমির নামজারি, খাজনা ও ডিসিআর-সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে রয়েছে। তবে এসব নথি ও আদালতের রায়ের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাদে চাকলা মৌজায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জবরদখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই বর্গাচাষির বিরুদ্ধে।
জমির দাবিদার বাসারতের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের বর্গাচাষিরা তাঁকে জমি ছেড়ে দিতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি।
বাসারত নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত বশির উদ্দিন মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নিয়ামতপুর উপজেলার জামুরহাট গ্রামের ফখরুল আহসান এবং বাদে চাকলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম ওরফে গোলাপ ও মো. ইব্রাহিম। ফখরুলের বর্গাচাষি হিসেবে শহিদুল ও ইব্রাহিম ওই জমি চাষাবাদ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাসারতের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদে চাকলা মৌজার জে.এল. নম্বর ১৫৪, খতিয়ান নম্বর ৮৩-এর ৩৩২, ৩৩৭ ও ৩৫৪ নম্বর দাগের জমির পরিবর্তে একই খতিয়ানের ছয়টি দাগে মোট সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি মৌখিক বিনিময়ের শর্তে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন বাসারত ও ফখরুল। পরে জমির দখল ও মালিকানা নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।
বাসারতের অভিযোগ, ফখরুলের বর্গাচাষি শহিদুল ওরফে গোলাপ ও ইব্রাহিম তাঁর দখলে থাকা জমি জবরদখলের চেষ্টা করছেন। জমি ছেড়ে দিতে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
বাসারত দাবি করেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধে তাঁর পক্ষে আদালতের রায় রয়েছে। এ ছাড়া জমির নামজারি, খাজনা ও ডিসিআর-সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে রয়েছে। তবে এসব নথি ও আদালতের রায়ের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন