দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৪ জেলেকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ১টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও ১ লক্ষ ২০ হাজার মিটার অবৈধ ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন,পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার গছানী ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সুজন হাওলাদার (৩০) ও মো. মনির হোসেন গাজী (৩৫)। অপর দুজন হলেন একই উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের বাদশা চৌককদার (৩৫) ও নাসির সরদার (৩০)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট সকাল থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে আটক জেলেদের সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও জব্দকৃত ১ লক্ষ ২০ হাজার মিটার অবৈধ ইলিশ জাল হাজিরহাট এলাকায় তেতুলিয়া নদীর তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, দশমিনা থানা, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২৪ লাখ টাকা। সকালে দুই আসামিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পরে আরও দুজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধার করা জাল ধ্বংস করা হবে।
অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং রাতের মধ্যে আরও অবৈধ জাল উদ্ধার ও জড়িত ব্যক্তিদের আটক করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৪ জেলেকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ১টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও ১ লক্ষ ২০ হাজার মিটার অবৈধ ইলিশ জাল জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন,পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার গছানী ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া গ্রামের মো. সুজন হাওলাদার (৩০) ও মো. মনির হোসেন গাজী (৩৫)। অপর দুজন হলেন একই উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের বাদশা চৌককদার (৩৫) ও নাসির সরদার (৩০)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট সকাল থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে আটক জেলেদের সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও জব্দকৃত ১ লক্ষ ২০ হাজার মিটার অবৈধ ইলিশ জাল হাজিরহাট এলাকায় তেতুলিয়া নদীর তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, দশমিনা থানা, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২৪ লাখ টাকা। সকালে দুই আসামিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পরে আরও দুজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধার করা জাল ধ্বংস করা হবে।
অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং রাতের মধ্যে আরও অবৈধ জাল উদ্ধার ও জড়িত ব্যক্তিদের আটক করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন