পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ঋণ ও টিনের ঘর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার পৌর সদরের শরৎনগর বাজারের সাহেব মার্কেটের নিচতলায় ‘রুরাল হিউম্যান ফাউন্ডেশন’ নামের একটি এনজিওর পরিচয়ে কার্যক্রম পরিচালনার সময় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন,মো. আব্দুল মজিদ (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৩৭) ও মো. হাসিনুর রহমান শাহিন (৬২)। আব্দুল মজিদ ও নুরুল ইসলামের বাড়ি চাটমোহর উপজেলায় এবং হাসিনুর রহমান শাহিনের বাড়ি ভাঙ্গুড়া উপজেলায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
যেভাবে ধরা পড়েন অভিযুক্তরা,পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরৎনগর বাজারের সাহেব মার্কেটের নিচতলায় রুরাল হিউম্যান ফাউন্ডেশন নাম ব্যবহার করে ঋণ ও টিনের ঘর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
একপর্যায়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এনজিওটির বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। তবে অভিযুক্তরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং থানায় নিয়ে আসে।
মামলা দায়ের, জেলহাজতে প্রেরণ, এ ঘটনায় নাজমা সুলতানা (৪৭) নামের এক নারী বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি পাবনার ফরিদপুর উপজেলার কালিয়ানী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফরিদপুরের আমলাপাড়া এলাকার চ্যামেলী কোয়ার্টার্সে বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, ভাঙ্গুড়া থানার মামলা নম্বর-০৭, তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২৬। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাকিউল আজম বলেন, “আটক তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঋণ ও ঘর দেওয়ার প্রলোভনে কেউ যাতে প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধতা ও কাগজপত্র যাচাই করে আর্থিক লেনদেন করার বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ঋণ ও টিনের ঘর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার পৌর সদরের শরৎনগর বাজারের সাহেব মার্কেটের নিচতলায় ‘রুরাল হিউম্যান ফাউন্ডেশন’ নামের একটি এনজিওর পরিচয়ে কার্যক্রম পরিচালনার সময় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন,মো. আব্দুল মজিদ (৪৮), মো. নুরুল ইসলাম (৩৭) ও মো. হাসিনুর রহমান শাহিন (৬২)। আব্দুল মজিদ ও নুরুল ইসলামের বাড়ি চাটমোহর উপজেলায় এবং হাসিনুর রহমান শাহিনের বাড়ি ভাঙ্গুড়া উপজেলায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
যেভাবে ধরা পড়েন অভিযুক্তরা,পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শরৎনগর বাজারের সাহেব মার্কেটের নিচতলায় রুরাল হিউম্যান ফাউন্ডেশন নাম ব্যবহার করে ঋণ ও টিনের ঘর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
একপর্যায়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এনজিওটির বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। তবে অভিযুক্তরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং থানায় নিয়ে আসে।
মামলা দায়ের, জেলহাজতে প্রেরণ, এ ঘটনায় নাজমা সুলতানা (৪৭) নামের এক নারী বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি পাবনার ফরিদপুর উপজেলার কালিয়ানী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফরিদপুরের আমলাপাড়া এলাকার চ্যামেলী কোয়ার্টার্সে বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, ভাঙ্গুড়া থানার মামলা নম্বর-০৭, তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২৬। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাকিউল আজম বলেন, “আটক তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঋণ ও ঘর দেওয়ার প্রলোভনে কেউ যাতে প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধতা ও কাগজপত্র যাচাই করে আর্থিক লেনদেন করার বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন