গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুলবন্দি এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি ও মায়ের দেওয়া জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিজের সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি, মাদক সেবনের আসর বসানো এবং হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মোছাঃ জেরিন আফরিন সনি (২৮) নামে এক নারী।
অভিযোগকারী জেরিন আফরিন সনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার পিয়াদাপাড়া, পুলবন্দি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্ত ভাই মোঃ মমিনুর রহমান সজল (২৬) প্রায় সাত-আট বছর আগে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নিজের অংশের সম্পত্তি বিক্রি করে নওগাঁ চলে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, ছেলের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের মা মোছাঃ আমেনা মিনি মেয়ের নামে এক শতক জমি রেজিস্ট্রিমূলে দলিল করে দেন। ওই জমি ও পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নিজের অংশের সম্পত্তিতে টিনের ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন জেরিন আফরিন সনি।
তাঁর দাবি, প্রায় এক মাস আগে অভিযুক্ত ভাই নওগাঁ থেকে গাইবান্ধার বাড়িতে এসে মায়ের দেওয়া এক শতক জমির বিষয়ে আপত্তি তোলেন এবং টাকা দাবি করেন।
জমি লিখে দেওয়ার বিষয়টি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন জেরিন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ভাই প্রায়ই অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে বাড়িতে নিয়ে এসে নেশা করেন। এতে প্রতিবাদ জানালে তাঁকে ও তাঁর মাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।
গত ৫ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি অজ্ঞাতপরিচয় ছয়-সাতজনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে নেশার আসর বসান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেরিন আফরিন সনি আরও অভিযোগ করেন, গত এক মাসে বসতবাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি খাবারের প্লেটও বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। সর্বশেষ ১১ অক্টোবর বাড়ির কাজের জন্য রাখা ২০০টি ইট বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
অভিযোগকারীর দাবি, ভাইয়ের এমন কর্মকাণ্ডে তিনি ও তাঁর মা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। তাঁর ছোট দুটি সন্তান রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির কারণে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়েও তাঁরা উদ্বিগ্ন। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তি গাইবান্ধার কোথাও অবস্থান করছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ ঘটনায় মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ শামিম ও মোঃ মেহেনুরসহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার পুলবন্দি এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি ও মায়ের দেওয়া জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিজের সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বাড়ির জিনিসপত্র বিক্রি, মাদক সেবনের আসর বসানো এবং হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মোছাঃ জেরিন আফরিন সনি (২৮) নামে এক নারী।
অভিযোগকারী জেরিন আফরিন সনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার পিয়াদাপাড়া, পুলবন্দি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্ত ভাই মোঃ মমিনুর রহমান সজল (২৬) প্রায় সাত-আট বছর আগে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নিজের অংশের সম্পত্তি বিক্রি করে নওগাঁ চলে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, ছেলের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের মা মোছাঃ আমেনা মিনি মেয়ের নামে এক শতক জমি রেজিস্ট্রিমূলে দলিল করে দেন। ওই জমি ও পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া নিজের অংশের সম্পত্তিতে টিনের ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন জেরিন আফরিন সনি।
তাঁর দাবি, প্রায় এক মাস আগে অভিযুক্ত ভাই নওগাঁ থেকে গাইবান্ধার বাড়িতে এসে মায়ের দেওয়া এক শতক জমির বিষয়ে আপত্তি তোলেন এবং টাকা দাবি করেন।
জমি লিখে দেওয়ার বিষয়টি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন জেরিন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ভাই প্রায়ই অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে বাড়িতে নিয়ে এসে নেশা করেন। এতে প্রতিবাদ জানালে তাঁকে ও তাঁর মাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।
গত ৫ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি অজ্ঞাতপরিচয় ছয়-সাতজনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে নেশার আসর বসান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেরিন আফরিন সনি আরও অভিযোগ করেন, গত এক মাসে বসতবাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি খাবারের প্লেটও বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। সর্বশেষ ১১ অক্টোবর বাড়ির কাজের জন্য রাখা ২০০টি ইট বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
অভিযোগকারীর দাবি, ভাইয়ের এমন কর্মকাণ্ডে তিনি ও তাঁর মা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। তাঁর ছোট দুটি সন্তান রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির কারণে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়েও তাঁরা উদ্বিগ্ন। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তি গাইবান্ধার কোথাও অবস্থান করছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ ঘটনায় মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ শামিম ও মোঃ মেহেনুরসহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন