নিজের গবেষণাপত্র অনলাইনে প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার খোঁজ শুরু করে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো.আশিক আহম্মেদ। পরে দুটি আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে অর্জন করেছে পুরস্কার ও ৩০ শতাংশ স্কলারশিপ। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কাঁচাকুল গ্রামের এই শিক্ষার্থীর এমন অর্জন নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখাচ্ছে তাকে।
আশিকের গবেষণাপত্রের বিষয় ছিল, শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও শিক্ষার ভবিষ্যৎ। এতে শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, এর সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থায় ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
২০২৬ সালের আইসিএনিউজ গ্লোবাল রিসার্চ আয়োজিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ অর্জন করে আশিক। গত ৯ অক্টোবর দেওয়া সনদে তার গবেষণাপত্রের জন্য এ স্বীকৃতির কথা উল্লেখ রয়েছে।
এ ছাড়া ইমার্স এডুকেশন আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায়ও ‘মেরিট’ স্বীকৃতি পেয়েছে সে। এ প্রতিযোগিতায় ৩০ শতাংশ স্কলারশিপ অর্জনের বিষয়টি সনদে উল্লেখ রয়েছে। সনদটি ইস্যু করা হয় ৫ অক্টোবর।
আশিক জানায়, প্রথমে নিজের গবেষণাপত্রটি প্রিপ্রিন্ট ডটঅর্গে প্রকাশ করে সে। এরপর অনলাইনে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিযোগিতার খোঁজ করতে গিয়ে আইসিএনিউজ ও ইমার্স এডুকেশনের প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানতে পারে। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইটে গবেষণাপত্র ও রচনা জমা দেয়। সেখান থেকেই আসে এ স্বীকৃতি।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুরস্কার ও স্কলারশিপ পাওয়াকে জীবনের আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছে আশিক। তার মতে, দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় এমন অর্জন আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও শেখার আগ্রহ থাকলে অল্প বয়সেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন সম্ভব বলে বিশ্বাস করে সে।
আশিকের বাড়ি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের কাঁচাকুল গ্রামে। তার বাবা মো. মিজানুর রহমান ও মা আকলিমা খাতুন। বর্তমানে সে কালাই সরকারি ময়েন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এর আগে সে বগুড়ার কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত। প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের আগে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সনদে তার আগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে।
পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণা ও লেখালেখির প্রতি আগ্রহ রয়েছে আশিকের। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে আরও সাফল্য অর্জন করতে চায় সে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাওয়া এ স্বীকৃতিকে নিজের স্বপ্নপূরণের পথে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে এই শিক্ষার্থী।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
নিজের গবেষণাপত্র অনলাইনে প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার খোঁজ শুরু করে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো.আশিক আহম্মেদ। পরে দুটি আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে অর্জন করেছে পুরস্কার ও ৩০ শতাংশ স্কলারশিপ। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার কাঁচাকুল গ্রামের এই শিক্ষার্থীর এমন অর্জন নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখাচ্ছে তাকে।
আশিকের গবেষণাপত্রের বিষয় ছিল, শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও শিক্ষার ভবিষ্যৎ। এতে শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, এর সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থায় ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
২০২৬ সালের আইসিএনিউজ গ্লোবাল রিসার্চ আয়োজিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ অর্জন করে আশিক। গত ৯ অক্টোবর দেওয়া সনদে তার গবেষণাপত্রের জন্য এ স্বীকৃতির কথা উল্লেখ রয়েছে।
এ ছাড়া ইমার্স এডুকেশন আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায়ও ‘মেরিট’ স্বীকৃতি পেয়েছে সে। এ প্রতিযোগিতায় ৩০ শতাংশ স্কলারশিপ অর্জনের বিষয়টি সনদে উল্লেখ রয়েছে। সনদটি ইস্যু করা হয় ৫ অক্টোবর।
আশিক জানায়, প্রথমে নিজের গবেষণাপত্রটি প্রিপ্রিন্ট ডটঅর্গে প্রকাশ করে সে। এরপর অনলাইনে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিযোগিতার খোঁজ করতে গিয়ে আইসিএনিউজ ও ইমার্স এডুকেশনের প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানতে পারে। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইটে গবেষণাপত্র ও রচনা জমা দেয়। সেখান থেকেই আসে এ স্বীকৃতি।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুরস্কার ও স্কলারশিপ পাওয়াকে জীবনের আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছে আশিক। তার মতে, দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় এমন অর্জন আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও শেখার আগ্রহ থাকলে অল্প বয়সেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন সম্ভব বলে বিশ্বাস করে সে।
আশিকের বাড়ি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের কাঁচাকুল গ্রামে। তার বাবা মো. মিজানুর রহমান ও মা আকলিমা খাতুন। বর্তমানে সে কালাই সরকারি ময়েন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এর আগে সে বগুড়ার কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত। প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের আগে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সনদে তার আগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে।
পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণা ও লেখালেখির প্রতি আগ্রহ রয়েছে আশিকের। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে আরও সাফল্য অর্জন করতে চায় সে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাওয়া এ স্বীকৃতিকে নিজের স্বপ্নপূরণের পথে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে এই শিক্ষার্থী।

আপনার মতামত লিখুন