উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বাড়ির ছাদে ব্যতিক্রমী এক মিশ্র খামার গড়ে তুলেছেন মোহাম্মদ মাহমুদুল্লাহ। মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের প্রচলিত পথের বাইরে গিয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন খামার গড়ার উদ্যোগ। তাঁর স্বপ্নের এই খামারে রয়েছে কোয়েল পাখি, ব্রাহমা জাতের মুরগি ও বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর। সীমিত জায়গাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা এই খামারের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
সাধারণত গ্রামাঞ্চলে গরু, ছাগল কিংবা হাঁস-মুরগির খামার গড়ে তুলতে আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয়। তবে মাহমুদুল্লাহ সেই ধারণার বাইরে গিয়ে নিজের বাড়ির ছাদকে কাজে লাগিয়েছেন। পরিকল্পনা ও আগ্রহকে পুঁজি করে তিনি সেখানে গড়ে তুলেছেন শখের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় এই মিশ্র খামার।
খামারটিতে রয়েছে ছোট আকারের কোয়েল পাখি, আকর্ষণীয় ব্রাহমা জাতের মুরগি এবং বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর। ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির পাখি ও মুরগি লালন-পালনের মধ্য দিয়ে খামারটিকে আরও সমৃদ্ধ করার স্বপ্ন তাঁর। সঠিক পরিচর্যা, খাবার ব্যবস্থাপনা ও রোগ প্রতিরোধের দিকে নজর রেখে খামারটি এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি।
মাহমুদুল্লাহর এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত স্বাবলম্বিতা অর্জনের প্রচেষ্টা নয়; বরং তরুণদের জন্যও হতে পারে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। চাকরির অপেক্ষায় না থেকে নিজস্ব উদ্যোগে কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা সম্ভব—এমন ধারণাকে সামনে নিয়ে এসেছে তাঁর ছাদভিত্তিক খামার।
বর্তমান সময়ে বেকারত্ব মোকাবিলা ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্র খামার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির অব্যবহৃত ছাদ কিংবা সীমিত জায়গাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে পাখি ও মুরগি পালন করা যেতে পারে। তবে এ ধরনের খামার গড়ে তুলতে প্রজাতিভেদে উপযুক্ত আবাসন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সুষম খাবার এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
গোমস্তাপুরের মাহমুদুল্লাহর স্বপ্ন, তাঁর এই উদ্যোগ একদিন আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত হবে। নিজের পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি খামারটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চান। তাঁর উদ্যোগ সফল হলে তা এলাকার অন্য তরুণদেরও আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করতে পারে।
ছোট পরিসরে শুরু হলেও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন মাহমুদুল্লাহ। বাড়ির ছাদে গড়ে তোলা তাঁর এই মিশ্র খামার হয়ে উঠতে পারে পরিশ্রম, উদ্যোগ ও স্বাবলম্বী হওয়ার আকাঙ্ক্ষার এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বাড়ির ছাদে ব্যতিক্রমী এক মিশ্র খামার গড়ে তুলেছেন মোহাম্মদ মাহমুদুল্লাহ। মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের প্রচলিত পথের বাইরে গিয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন খামার গড়ার উদ্যোগ। তাঁর স্বপ্নের এই খামারে রয়েছে কোয়েল পাখি, ব্রাহমা জাতের মুরগি ও বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর। সীমিত জায়গাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা এই খামারের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
সাধারণত গ্রামাঞ্চলে গরু, ছাগল কিংবা হাঁস-মুরগির খামার গড়ে তুলতে আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয়। তবে মাহমুদুল্লাহ সেই ধারণার বাইরে গিয়ে নিজের বাড়ির ছাদকে কাজে লাগিয়েছেন। পরিকল্পনা ও আগ্রহকে পুঁজি করে তিনি সেখানে গড়ে তুলেছেন শখের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় এই মিশ্র খামার।
খামারটিতে রয়েছে ছোট আকারের কোয়েল পাখি, আকর্ষণীয় ব্রাহমা জাতের মুরগি এবং বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর। ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির পাখি ও মুরগি লালন-পালনের মধ্য দিয়ে খামারটিকে আরও সমৃদ্ধ করার স্বপ্ন তাঁর। সঠিক পরিচর্যা, খাবার ব্যবস্থাপনা ও রোগ প্রতিরোধের দিকে নজর রেখে খামারটি এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি।
মাহমুদুল্লাহর এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত স্বাবলম্বিতা অর্জনের প্রচেষ্টা নয়; বরং তরুণদের জন্যও হতে পারে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। চাকরির অপেক্ষায় না থেকে নিজস্ব উদ্যোগে কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা সম্ভব—এমন ধারণাকে সামনে নিয়ে এসেছে তাঁর ছাদভিত্তিক খামার।
বর্তমান সময়ে বেকারত্ব মোকাবিলা ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্র খামার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির অব্যবহৃত ছাদ কিংবা সীমিত জায়গাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে পাখি ও মুরগি পালন করা যেতে পারে। তবে এ ধরনের খামার গড়ে তুলতে প্রজাতিভেদে উপযুক্ত আবাসন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সুষম খাবার এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
গোমস্তাপুরের মাহমুদুল্লাহর স্বপ্ন, তাঁর এই উদ্যোগ একদিন আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত হবে। নিজের পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি খামারটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চান। তাঁর উদ্যোগ সফল হলে তা এলাকার অন্য তরুণদেরও আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করতে পারে।
ছোট পরিসরে শুরু হলেও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন মাহমুদুল্লাহ। বাড়ির ছাদে গড়ে তোলা তাঁর এই মিশ্র খামার হয়ে উঠতে পারে পরিশ্রম, উদ্যোগ ও স্বাবলম্বী হওয়ার আকাঙ্ক্ষার এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প।

আপনার মতামত লিখুন