দিনাজপুরের বিরামপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের আঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌর এলাকার কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বড় ভাই এটিএম শামসুজ্জামান ও ছোট ভাই মুকুল হোসেনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় বড় ভাইয়ের লাঠি বা শক্ত কোনো বস্তুর আঘাতে গুরুতর আহত হন অটোরিকশা চালক মুকুল হোসেন (৩৮)।
পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তবে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত মুকুল হোসেন কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত বড় ভাই এটিএম শামসুজ্জামান স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর অভিযুক্তসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের আঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের বিরামপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের আঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌর এলাকার কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বড় ভাই এটিএম শামসুজ্জামান ও ছোট ভাই মুকুল হোসেনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় বড় ভাইয়ের লাঠি বা শক্ত কোনো বস্তুর আঘাতে গুরুতর আহত হন অটোরিকশা চালক মুকুল হোসেন (৩৮)।
পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তবে সেখানে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত মুকুল হোসেন কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে। অভিযুক্ত বড় ভাই এটিএম শামসুজ্জামান স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর অভিযুক্তসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের আঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন