চিকিৎসা নিতে এসে আগে খাবার,এরপর চিকিৎসাসেবা—এমন ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের অবসরপ্রাপ্ত চক্ষু চিকিৎসক প্রফেসর ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদার। নিজের শৈশবের ক্ষুধার কষ্টের স্মৃতি থেকেই চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের জন্য এ আয়োজন করেছেন তিনি।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড করিম বাগান এলাকায় তার চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা। রোগীরা চেম্বারে প্রবেশের আগে পেট ভরে খাবার খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এরপর দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা। শুধু খাবার নয়,অনেক রোগীকে ওষুধ ও ফলমূল কেনার জন্যও আর্থিক সহায়তা করছেন এই চিকিৎসক।
প্রফেসর ডা.গোলাম মোস্তফা মজুমদার চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান। অবসর গ্রহণের পর বর্তমানে তিনি হাজীগঞ্জের করিম বাগান এলাকায় রোগী দেখছেন।
স্থানীয়রা জানান, সাধারণত চিকিৎসকের কাছে গেলে রোগীকে চিকিৎসা ও ওষুধের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ডা.গোলাম মোস্তফা মজুমদারের উদ্যোগটি কিছুটা ভিন্ন। রোগীর অসুস্থতার পাশাপাশি তার ক্ষুধা ও আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয়টিও তিনি বিবেচনায় নিচ্ছেন। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগীর জন্য এটি স্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে।
ক্ষুধার কষ্ট থেকেই উদ্যোগ শৈশবে নিজেরও ক্ষুধার যন্ত্রণা অনুভব করেছেন ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদার। সেই স্মৃতি এখনো তাকে নাড়া দেয়। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকেই চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের ক্ষুধার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করার চিন্তা করেন তিনি।
তার কাছে চিকিৎসা শুধু রোগ নিরাময়ের বিষয় নয়; রোগীর প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক দায়িত্ব পালনও চিকিৎসাসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই রোগীকে ওষুধ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার,ফলমূল ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও করছেন তিনি।
বক্সপপ—চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী: চিকিৎসকের এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারা বলেন,চিকিৎসার পাশাপাশি খাবারের ব্যবস্থা পাওয়ায় তারা উপকৃত ও কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসচ্ছল রোগীদের জন্য এ উদ্যোগ স্বস্তিদায়ক।
সট—প্রফেসর ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদা।অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান,চক্ষু বিভাগ,চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতাল।
পে-অফ
চিকিৎসার সঙ্গে মানবিকতার এমন সমন্বয় সমাজে তৈরি করতে পারে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। নিজের জীবনের কষ্টের অভিজ্ঞতাকে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর শক্তিতে পরিণত করেছেন ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদার। তার এই উদ্যোগ মনে করিয়ে দেয়—একজন চিকিৎসক শুধু রোগের চিকিৎসাই করেন না,মানবিকতার স্পর্শে একজন রোগীর কঠিন সময়কেও কিছুটা সহজ করে তুলতে পারেন।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চিকিৎসা নিতে এসে আগে খাবার,এরপর চিকিৎসাসেবা—এমন ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের অবসরপ্রাপ্ত চক্ষু চিকিৎসক প্রফেসর ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদার। নিজের শৈশবের ক্ষুধার কষ্টের স্মৃতি থেকেই চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের জন্য এ আয়োজন করেছেন তিনি।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড করিম বাগান এলাকায় তার চেম্বারে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা। রোগীরা চেম্বারে প্রবেশের আগে পেট ভরে খাবার খাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এরপর দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা। শুধু খাবার নয়,অনেক রোগীকে ওষুধ ও ফলমূল কেনার জন্যও আর্থিক সহায়তা করছেন এই চিকিৎসক।
প্রফেসর ডা.গোলাম মোস্তফা মজুমদার চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান। অবসর গ্রহণের পর বর্তমানে তিনি হাজীগঞ্জের করিম বাগান এলাকায় রোগী দেখছেন।
স্থানীয়রা জানান, সাধারণত চিকিৎসকের কাছে গেলে রোগীকে চিকিৎসা ও ওষুধের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ডা.গোলাম মোস্তফা মজুমদারের উদ্যোগটি কিছুটা ভিন্ন। রোগীর অসুস্থতার পাশাপাশি তার ক্ষুধা ও আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয়টিও তিনি বিবেচনায় নিচ্ছেন। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগীর জন্য এটি স্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে।
ক্ষুধার কষ্ট থেকেই উদ্যোগ শৈশবে নিজেরও ক্ষুধার যন্ত্রণা অনুভব করেছেন ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদার। সেই স্মৃতি এখনো তাকে নাড়া দেয়। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকেই চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের ক্ষুধার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করার চিন্তা করেন তিনি।
তার কাছে চিকিৎসা শুধু রোগ নিরাময়ের বিষয় নয়; রোগীর প্রতি সহমর্মিতা ও মানবিক দায়িত্ব পালনও চিকিৎসাসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই রোগীকে ওষুধ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার,ফলমূল ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও করছেন তিনি।
বক্সপপ—চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী: চিকিৎসকের এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারা বলেন,চিকিৎসার পাশাপাশি খাবারের ব্যবস্থা পাওয়ায় তারা উপকৃত ও কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসচ্ছল রোগীদের জন্য এ উদ্যোগ স্বস্তিদায়ক।
সট—প্রফেসর ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদা।অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান,চক্ষু বিভাগ,চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতাল।
পে-অফ
চিকিৎসার সঙ্গে মানবিকতার এমন সমন্বয় সমাজে তৈরি করতে পারে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। নিজের জীবনের কষ্টের অভিজ্ঞতাকে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর শক্তিতে পরিণত করেছেন ডা. গোলাম মোস্তফা মজুমদার। তার এই উদ্যোগ মনে করিয়ে দেয়—একজন চিকিৎসক শুধু রোগের চিকিৎসাই করেন না,মানবিকতার স্পর্শে একজন রোগীর কঠিন সময়কেও কিছুটা সহজ করে তুলতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন