জয়পুরহাট    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

শেরপুরে ট্রাফিক পুলিশের অবহেলায় যানজট ভোগান্তিতে জনগণ



শেরপুরে ট্রাফিক পুলিশের অবহেলায় যানজট ভোগান্তিতে জনগণ
ছবি : প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরে যানজট এখন নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ততম সড়ক গুলোতে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় যানজট লেগে থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে  ট্রাফিক পুলিশের কোন নজর নেই।

ফলে পথচারী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। 

পৌর শহরের ধুনট মোড়, বাসস্ট্যান্ড,উপজেলা পরিষদ গেট,কলেজ রোড  এলাকায় যানজটের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 

এসব এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা,ভডভডি এবং বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী ট্রাকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামার কারণে প্রায়ই সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দিন দিন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা বাড়ছে। এসব যানবাহনের একটি বড় অংশ প্রতিদিন পৌর শহরে প্রবেশ করায় ব্যস্ত সড়কগুলোতে চাপ বেড়ে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ও কার্যকর ট্রাফিক

ব্যবস্থাপনা না থাকায় অনেক অটোরিকশা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করে। ফলে স্বাভাবিক যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। 

বিশেষ করে শহরের ধুনট মোড় ও বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তীব্র যানজট দেখা যায়। কিন্তু দেখা যায় না কোন ট্রাফিক পুলিশ। 

 স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলম বাবু অভিযোগ করে বলেন,শেরপুর শহরে ট্রাফিক পুলিশ আছে বলে মনে হয় না। 

পৌর শহরের ধুনট মোড় দিয়ে প্রতিদিন বালুবাহী ভারী বিশাল ড্রাম ট্রাকসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী বড় যানবাহন চলাচল করে। ব্যস্ত সময়ে এসব ভারী যান শহরে প্রবেশ করায় যানজট আরও তীব্র হয়। 

অনেক সময় একটি বড় ট্রাক সড়কের সংকীর্ণ অংশে ঢুকে পড়লে ছোট যানবাহনের চলাচল দীর্ঘ সময়ের জন্য আটকে যায়। শেরপুর পৌর শহরের বাসিন্দা রতন মালাকার বলেন, “যানজটের কারণে শহরে চলাফেরা করা এখন

খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে যানজটে আটকে সাধারণ মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। শুধু যানবাহনের যাত্রীরাই নয়, যানজটের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারীরা।

শহরের অনেক স্থানে ফুটপাত না থাকা কিংবা ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের মূল সড়ক দিয়েই চলাচল করতে হয়।

যানজটের মধ্যে সিএনজি, অটোরিকশা ও ভারী যানবাহনের ফাঁক গলে পথ চলতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।   

শেরপুর ট্রাফিক ফাঁড়ির সার্জেন্ট রমজান আলীকে যানজটের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে,তিনি বেশ চটে উঠেন। 

এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। রাগান্বিত  স্বরে বলেন আপনারা যা পারেন লেখেন সেটা আমি দেখে নিব।

এ বিষয়ে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু  বলেন, “উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় যানজটের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। সমস্যাটি কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শেরপুরে ট্রাফিক পুলিশের অবহেলায় যানজট ভোগান্তিতে জনগণ

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরে যানজট এখন নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ব্যস্ততম সড়ক গুলোতে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় যানজট লেগে থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে  ট্রাফিক পুলিশের কোন নজর নেই।

ফলে পথচারী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। 

পৌর শহরের ধুনট মোড়, বাসস্ট্যান্ড,উপজেলা পরিষদ গেট,কলেজ রোড  এলাকায় যানজটের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। 

এসব এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা,ভডভডি এবং বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী ট্রাকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামার কারণে প্রায়ই সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দিন দিন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা বাড়ছে। এসব যানবাহনের একটি বড় অংশ প্রতিদিন পৌর শহরে প্রবেশ করায় ব্যস্ত সড়কগুলোতে চাপ বেড়ে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ও কার্যকর ট্রাফিক

ব্যবস্থাপনা না থাকায় অনেক অটোরিকশা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করে। ফলে স্বাভাবিক যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। 

বিশেষ করে শহরের ধুনট মোড় ও বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তীব্র যানজট দেখা যায়। কিন্তু দেখা যায় না কোন ট্রাফিক পুলিশ। 

 স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলম বাবু অভিযোগ করে বলেন,শেরপুর শহরে ট্রাফিক পুলিশ আছে বলে মনে হয় না। 

পৌর শহরের ধুনট মোড় দিয়ে প্রতিদিন বালুবাহী ভারী বিশাল ড্রাম ট্রাকসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী বড় যানবাহন চলাচল করে। ব্যস্ত সময়ে এসব ভারী যান শহরে প্রবেশ করায় যানজট আরও তীব্র হয়। 

অনেক সময় একটি বড় ট্রাক সড়কের সংকীর্ণ অংশে ঢুকে পড়লে ছোট যানবাহনের চলাচল দীর্ঘ সময়ের জন্য আটকে যায়। শেরপুর পৌর শহরের বাসিন্দা রতন মালাকার বলেন, “যানজটের কারণে শহরে চলাফেরা করা এখন

খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে যানজটে আটকে সাধারণ মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। শুধু যানবাহনের যাত্রীরাই নয়, যানজটের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারীরা।

শহরের অনেক স্থানে ফুটপাত না থাকা কিংবা ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের মূল সড়ক দিয়েই চলাচল করতে হয়।

যানজটের মধ্যে সিএনজি, অটোরিকশা ও ভারী যানবাহনের ফাঁক গলে পথ চলতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।   

শেরপুর ট্রাফিক ফাঁড়ির সার্জেন্ট রমজান আলীকে যানজটের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে,তিনি বেশ চটে উঠেন। 

এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। রাগান্বিত  স্বরে বলেন আপনারা যা পারেন লেখেন সেটা আমি দেখে নিব।

এ বিষয়ে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু  বলেন, “উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় যানজটের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। সমস্যাটি কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত