নওগাঁর ঐতিহাসিক বলিহার রাজবাড়ী পরিদর্শন করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার ও নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তাঁরা যৌথভাবে বলিহার রাজবাড়ী পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে অতিথিরা রাজবাড়ীর বিভিন্ন স্থাপনা ও ঐতিহাসিক নিদর্শন ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় বলিহার রাজবাড়ী ও রাজ-রাজেশ্বরী মন্দিরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে এর প্রয়োজনীয় সংস্কার, সংরক্ষণ ও সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু বলেন, “বলিহার রাজবাড়ী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিরও প্রতীক। এই প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ এবং চত্বরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারও বলিহার রাজবাড়ীর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, নৃসিংহ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত বলিহার রাজবংশের রয়েছে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। এ বংশের রাজা রাজেন্দ্রনাথ ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত রাজ-রাজেশ্বরী দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া রাজবংশের প্রাজ্ঞ রাজা ও সাহিত্যিক কৃষ্ণেন্দ্রনাথ রায় বাহাদুর এবং সর্বশেষ রাজা বিমলেন্দু রায় স্থানীয় জনপদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মনে করছেন, বলিহার রাজবাড়ীর ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সংস্কারে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর ঐতিহাসিক বলিহার রাজবাড়ী পরিদর্শন করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার ও নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তাঁরা যৌথভাবে বলিহার রাজবাড়ী পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে অতিথিরা রাজবাড়ীর বিভিন্ন স্থাপনা ও ঐতিহাসিক নিদর্শন ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় বলিহার রাজবাড়ী ও রাজ-রাজেশ্বরী মন্দিরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে এর প্রয়োজনীয় সংস্কার, সংরক্ষণ ও সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু বলেন, “বলিহার রাজবাড়ী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিরও প্রতীক। এই প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ এবং চত্বরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারও বলিহার রাজবাড়ীর প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, নৃসিংহ চক্রবর্তী প্রতিষ্ঠিত বলিহার রাজবংশের রয়েছে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। এ বংশের রাজা রাজেন্দ্রনাথ ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত রাজ-রাজেশ্বরী দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া রাজবংশের প্রাজ্ঞ রাজা ও সাহিত্যিক কৃষ্ণেন্দ্রনাথ রায় বাহাদুর এবং সর্বশেষ রাজা বিমলেন্দু রায় স্থানীয় জনপদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মনে করছেন, বলিহার রাজবাড়ীর ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সংস্কারে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন