জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্সে’ মিলল ৪০ টাকার পণ্য!



অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্সে’ মিলল ৪০ টাকার পণ্য!
ছবি : প্রতিনিধি

অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজে ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্স’ অর্ডার করে প্রতিশ্রুত পণ্যের পরিবর্তে কমমূল্যের পণ্য পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাহকের দাবি, প্যাকেট খুলে তিনি পেয়েছেন ছয়টি কাশির ট্যাবলেট, একটি চাটনি ও কয়েকটি চকলেট। তার হিসাব অনুযায়ী, এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ টাকা।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এই প্রতিবেদকের পক্ষ থেকেও একই অফারের একটি প্যাকেট অর্ডার করা হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার টাঙ্গাইল স্কুলের সামনে দারাজের ডেলিভারি প্রতিনিধির কাছ থেকে প্যাকেটটি গ্রহণ করা হয়। 

বিকাশে পরিশোধ করা হয় ৪৮৪ টাকা। প্যাকেট খোলার সময় ডেলিভারি প্রতিনিধি বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে প্যাকেট খুলে একই ধরনের পণ্য পাওয়া যায় বলে দাবি প্রতিবেদকের।

প্রশ্ন উঠেছে, ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্সে’ প্রতিশ্রুত পণ্যের বদলে এত কমমূল্যের পণ্য কীভাবে গেল? বিজ্ঞাপনে কী পণ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, অর্ডার ও ইনভয়েসে কী উল্লেখ ছিল এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা কী পাঠিয়েছেন,তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

দারাজের রিটার্ন নীতিতে বর্ণনার সঙ্গে না মেলা, ভুল বা অসম্পূর্ণ পণ্য ফেরতের সুযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগকারী গ্রাহকের দাবি, যোগাযোগ করেও তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি। এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত দারাজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগটি সত্য হলে দায় কার,বিক্রেতার, নাকি সরবরাহ ব্যবস্থার কোনো অনিয়মের? পণ্যের বিজ্ঞাপন, অর্ডার কনফার্মেশন, ইনভয়েস ও প্যাকেটের তথ্য যাচাই করে বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগকারী গ্রাহকের যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্সে’ মিলল ৪০ টাকার পণ্য!

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজে ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্স’ অর্ডার করে প্রতিশ্রুত পণ্যের পরিবর্তে কমমূল্যের পণ্য পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাহকের দাবি, প্যাকেট খুলে তিনি পেয়েছেন ছয়টি কাশির ট্যাবলেট, একটি চাটনি ও কয়েকটি চকলেট। তার হিসাব অনুযায়ী, এসব পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ টাকা।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এই প্রতিবেদকের পক্ষ থেকেও একই অফারের একটি প্যাকেট অর্ডার করা হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার টাঙ্গাইল স্কুলের সামনে দারাজের ডেলিভারি প্রতিনিধির কাছ থেকে প্যাকেটটি গ্রহণ করা হয়। 

বিকাশে পরিশোধ করা হয় ৪৮৪ টাকা। প্যাকেট খোলার সময় ডেলিভারি প্রতিনিধি বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে প্যাকেট খুলে একই ধরনের পণ্য পাওয়া যায় বলে দাবি প্রতিবেদকের।

প্রশ্ন উঠেছে, ৪৮৪ টাকার ‘মিষ্টি বক্সে’ প্রতিশ্রুত পণ্যের বদলে এত কমমূল্যের পণ্য কীভাবে গেল? বিজ্ঞাপনে কী পণ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, অর্ডার ও ইনভয়েসে কী উল্লেখ ছিল এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রেতা কী পাঠিয়েছেন,তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

দারাজের রিটার্ন নীতিতে বর্ণনার সঙ্গে না মেলা, ভুল বা অসম্পূর্ণ পণ্য ফেরতের সুযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগকারী গ্রাহকের দাবি, যোগাযোগ করেও তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি। এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত দারাজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগটি সত্য হলে দায় কার,বিক্রেতার, নাকি সরবরাহ ব্যবস্থার কোনো অনিয়মের? পণ্যের বিজ্ঞাপন, অর্ডার কনফার্মেশন, ইনভয়েস ও প্যাকেটের তথ্য যাচাই করে বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগকারী গ্রাহকের যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করা জরুরি।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত