ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণিতে পড়ূয়া শিক্ষার্থী আফরিন (১৫) মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সমাজবিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক মো. মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে।
আহত শিক্ষার্থীকে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে রেফার করা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থী মোসা. আফরিন আক্তার (১৫)। সে চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অদ্য বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজ এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক মো. মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়াও মেয়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে হাত দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে ভারসাম্যহীন শিক্ষক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ যথাযথ সহযোগিতা না করে ভুল তথ্য প্রদান করেন এবং গণমাধ্যম কর্মীদেরকে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা মো. ইমন ও তার সহযোগীদের দ্বারা সংবাদ সংগ্রহ না করার জন্য শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং হুমকি প্রদান করে।
শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং অভিভাবকরা জানান, শিক্ষক মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন যাবত মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। উক্ত ঘটনার আগেও একাধিক শিক্ষার্থীকে মারধর করছে বলেও জানা গিয়েছে।
এরকম ভারসাম্যহীন শিক্ষক দ্বারা ক্লাস পরিচালনা করা কতটুকু যুক্তিক? প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন বা অপমান করার সুযোগ নেই। শিক্ষকতার মতো দায়িত্বশীল পেশায় থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত লজ্জাজনক। তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আহত শিক্ষার্থীর খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ছুটে আসেন চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন (সেলিম)। তিনি আহত শিক্ষার্থী আফরিন এর খোঁজখবর নেওয়ার পর সাংবাদিকদেরকে জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
ঘটনার বিষয়ে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফকরুল ইসলাম-এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবে মেহেদী হাসান বর্তমানে দৌলতখান থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আহত শিক্ষার্থীর যথাযথ চিকিৎসা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণিতে পড়ূয়া শিক্ষার্থী আফরিন (১৫) মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সমাজবিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক মো. মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে।
আহত শিক্ষার্থীকে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে রেফার করা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থী মোসা. আফরিন আক্তার (১৫)। সে চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অদ্য বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজ এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক মো. মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়াও মেয়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে হাত দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে ভারসাম্যহীন শিক্ষক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ যথাযথ সহযোগিতা না করে ভুল তথ্য প্রদান করেন এবং গণমাধ্যম কর্মীদেরকে স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা মো. ইমন ও তার সহযোগীদের দ্বারা সংবাদ সংগ্রহ না করার জন্য শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং হুমকি প্রদান করে।
শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং অভিভাবকরা জানান, শিক্ষক মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন যাবত মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। উক্ত ঘটনার আগেও একাধিক শিক্ষার্থীকে মারধর করছে বলেও জানা গিয়েছে।
এরকম ভারসাম্যহীন শিক্ষক দ্বারা ক্লাস পরিচালনা করা কতটুকু যুক্তিক? প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন বা অপমান করার সুযোগ নেই। শিক্ষকতার মতো দায়িত্বশীল পেশায় থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগ অত্যন্ত লজ্জাজনক। তারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আহত শিক্ষার্থীর খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ছুটে আসেন চরগুমানী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন (সেলিম)। তিনি আহত শিক্ষার্থী আফরিন এর খোঁজখবর নেওয়ার পর সাংবাদিকদেরকে জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
ঘটনার বিষয়ে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফকরুল ইসলাম-এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবে মেহেদী হাসান বর্তমানে দৌলতখান থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আহত শিক্ষার্থীর যথাযথ চিকিৎসা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন