জয়পুরহাট    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

ঘোড়াঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো পানির ট্যাংক



ঘোড়াঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো পানির ট্যাংক
ছবি- প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো ৩ নং সিংড়া ইউনিয়নের জনস্বাস্থ্য বিভাগের পানির ট্যাংক। ঘোড়াঘাটে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়ন সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত পানির ট্যাংক পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।

১ লাখ লিটার ধারণক্ষমতার এ ট্যাংক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ১১ লক্ষ টাকা।এ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩ নং সিংড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দেবীপুর গ্রাম সহ রানীগঞ্জ বাজারের আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা এ প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করতে পারে।

মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের উদ্যোগ হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৩ শত জন গ্রাহক সংযোগ নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় প্রাথমিকভাবে ৩’শ গ্রাহককে সংযোগ দেওয়া হলেও ১ বছরের মধ্যে কোন বিল গ্রহণ করা হবে না।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৩ নং সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে ৬ শতাংশ জমি এ প্রকল্পের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, “রানীগঞ্জ বাজারে এলাকায় নিরাপদ পানির জন্য উৎসের অনেক ঘাটতি রয়েছে। এখন বাজারে এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে এলাকার মানুষের অনেক উপকার হবে।”রানীগঞ্জ বাজারে এক টি স্টোরের স্বত্বাধিকারী সুরুজ্জামান মিয়া বলেন, “পানির এই ব্যবস্থা চালু হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি।

”৩ নম্বর সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনস্বার্থে ৬ শতাংশ জমি প্রকল্পের জন্য ছেড়ে দিতে হয়েছে। মানুষের নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণ হলে এ জমি দেওয়ার বিষয়টি আমরা সার্থক মনে করব। প্রকল্পটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে আরও বেশি গ্রাহককে এ সুবিধার আওতায় আসবে আশা করছি।

এ বিষয় কথা হলে ঘোড়াঘাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোকাররম হোসেন বলেন, “ সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


ঘোড়াঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো পানির ট্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো ৩ নং সিংড়া ইউনিয়নের জনস্বাস্থ্য বিভাগের পানির ট্যাংক। ঘোড়াঘাটে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়ন সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত পানির ট্যাংক পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।

১ লাখ লিটার ধারণক্ষমতার এ ট্যাংক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ১১ লক্ষ টাকা।এ প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩ নং সিংড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দেবীপুর গ্রাম সহ রানীগঞ্জ বাজারের আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা এ প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করতে পারে।

মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের উদ্যোগ হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৩ শত জন গ্রাহক সংযোগ নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির আওতায় প্রাথমিকভাবে ৩’শ গ্রাহককে সংযোগ দেওয়া হলেও ১ বছরের মধ্যে কোন বিল গ্রহণ করা হবে না।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৩ নং সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে ৬ শতাংশ জমি এ প্রকল্পের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, “রানীগঞ্জ বাজারে এলাকায় নিরাপদ পানির জন্য উৎসের অনেক ঘাটতি রয়েছে। এখন বাজারে এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে এলাকার মানুষের অনেক উপকার হবে।”রানীগঞ্জ বাজারে এক টি স্টোরের স্বত্বাধিকারী সুরুজ্জামান মিয়া বলেন, “পানির এই ব্যবস্থা চালু হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি।

”৩ নম্বর সিংড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জনস্বার্থে ৬ শতাংশ জমি প্রকল্পের জন্য ছেড়ে দিতে হয়েছে। মানুষের নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণ হলে এ জমি দেওয়ার বিষয়টি আমরা সার্থক মনে করব। প্রকল্পটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে আরও বেশি গ্রাহককে এ সুবিধার আওতায় আসবে আশা করছি।

এ বিষয় কথা হলে ঘোড়াঘাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোকাররম হোসেন বলেন, “ সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত