সাভারের আশুলিয়ার নরসিংহপুরে জুতার দোকানে ১ হাজার টাকার নোট ভাংতি করতে গিয়ে চারটি জাল নোটসহ এক গার্মেন্টসকর্মী আটক হয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একসঙ্গে চারটি ১ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধারের পর বিষয়টি আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলামকে জানানো হয়। পরে উদ্ধার হওয়া জাল নোটগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নরসিংহপুরের নিট এশিয়া গার্মেন্টসের পেছনের এলাকায় একটি জুতার দোকানে গিয়ে ওই ব্যক্তি ১ হাজার টাকার একটি নোট ভাংতি করতে চান। নোটটি হাতে নিয়ে দোকানদারের সন্দেহ হলে সেটি পরীক্ষা করে জাল বলে শনাক্ত করা হয়।
বিষয়টি দ্রুত আশপাশের লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে তার কাছে তল্লাশি চালিয়ে আরও তিনটি ১ হাজার টাকার নোট পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। সব মিলিয়ে চারটি জাল নোট উদ্ধারের কথা জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি আশপাশের একটি গার্মেন্টসে লোডার হিসেবে কাজ করেন। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানার ওসি তারিকুল ইসলামকে অবহিত করেন। তবে পরবর্তীতে উদ্ধার হওয়া চারটি জাল নোট ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, এক গার্মেন্টসকর্মীর কাছে একসঙ্গে চারটি জাল নোট এলো কীভাবে? তিনি এসব নোট কোথা থেকে পেয়েছেন এবং এগুলো শুধু ভাংতি করার জন্যই ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নাও হতে পারে। এর সঙ্গে জাল নোট সরবরাহকারী কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
তবে আটক ব্যক্তি জাল নোটগুলো জেনেশুনে বহন বা ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাভারের আশুলিয়ার নরসিংহপুরে জুতার দোকানে ১ হাজার টাকার নোট ভাংতি করতে গিয়ে চারটি জাল নোটসহ এক গার্মেন্টসকর্মী আটক হয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একসঙ্গে চারটি ১ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধারের পর বিষয়টি আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলামকে জানানো হয়। পরে উদ্ধার হওয়া জাল নোটগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নরসিংহপুরের নিট এশিয়া গার্মেন্টসের পেছনের এলাকায় একটি জুতার দোকানে গিয়ে ওই ব্যক্তি ১ হাজার টাকার একটি নোট ভাংতি করতে চান। নোটটি হাতে নিয়ে দোকানদারের সন্দেহ হলে সেটি পরীক্ষা করে জাল বলে শনাক্ত করা হয়।
বিষয়টি দ্রুত আশপাশের লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে তার কাছে তল্লাশি চালিয়ে আরও তিনটি ১ হাজার টাকার নোট পাওয়া যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। সব মিলিয়ে চারটি জাল নোট উদ্ধারের কথা জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি আশপাশের একটি গার্মেন্টসে লোডার হিসেবে কাজ করেন। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা বিষয়টি আশুলিয়া থানার ওসি তারিকুল ইসলামকে অবহিত করেন। তবে পরবর্তীতে উদ্ধার হওয়া চারটি জাল নোট ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, এক গার্মেন্টসকর্মীর কাছে একসঙ্গে চারটি জাল নোট এলো কীভাবে? তিনি এসব নোট কোথা থেকে পেয়েছেন এবং এগুলো শুধু ভাংতি করার জন্যই ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নাও হতে পারে। এর সঙ্গে জাল নোট সরবরাহকারী কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
তবে আটক ব্যক্তি জাল নোটগুলো জেনেশুনে বহন বা ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন