জয়পুরহাট    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ করায় চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসী



পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ করায় চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসী
ছবি- প্রতিনিধি

বগুড়ার শিবগঞ্জ  উপজেলার মাঝিহট্র ইউনিয়নের মোড়াইল  গ্রামে পানি নিষ্কাশনের প্রাকৃতিক পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বর্ষা মৌসুম  চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পুকুর পাড়ে মাটি ভরাট করে উঁচু করে  পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযা মোড়াইল গ্রামে  দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতবাড়ির বৃষ্টির পানি বাড়ির পূর্বপাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পাশের পুকুরের মাধ্যমে মাঠের দিকে চলে যেত। স্থানীয়দের মতে, এটি ছিল এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ। সম্প্রতি সেই পথ রাজু মন্ডল ও নাজমুল হোসেন পরিকল্পিতভাবে পুকুরের পাড় মাটি দিয়ে উচু করে বন্ধ করে দেন। এতে তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। 

অভিযোগ রয়েছে, গ্রামবাসীর বাধা উপেক্ষা করে তিনি জোরপূর্বক ওই স্থানে মাটি ভরাট করে উঁচু করে দেন ফলে বর্ষার পানি  স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারছে না। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় বর্ষা মৌসুমে তাদের চলাচলের রাস্তাসহ বাড়ির আশপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। গবাদিপশু নিয়ে বসবাসেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মোড়াইল গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম বলে পানি যাওয়ার পথ বন্ধ করায় বৃষ্টির পানি যাতায়াতের রাস্তায় হাটু প্রর্যন্ত জমে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আরেক বাসিন্দা তাজুল ইসলাম বলেন এ ব্যাপারে  বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ দিলেও  কোন সুরহা হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজু মন্ডল ও নাজমুল হোসেন বলেন, "পুকুরে পানি নামলে মাছের ক্ষতি হয়। এ কারণে পানি নিষ্কাশনের পথটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে বাড়ির পানি নিষ্কাশনের জন্য বিকল্প পথ রয়েছে। অভিযোগকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি করছেন।

মাঝিহট্র ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এসকেন্দার আলী সাহানা বলেন বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার সুরহা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু কোন পক্ষই সমঝোতায় আসে নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন পানির প্রবাহের স্বাভাবিক পথ কেউ বন্ধ করতে পারে না। এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, পানি নিষ্কাশনের পথটি দ্রুত উন্মুক্ত করে দিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান করা হোক। একই সঙ্গে অভিযোগের তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ করায় চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শিবগঞ্জ  উপজেলার মাঝিহট্র ইউনিয়নের মোড়াইল  গ্রামে পানি নিষ্কাশনের প্রাকৃতিক পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বর্ষা মৌসুম  চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পুকুর পাড়ে মাটি ভরাট করে উঁচু করে  পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযা মোড়াইল গ্রামে  দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতবাড়ির বৃষ্টির পানি বাড়ির পূর্বপাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পাশের পুকুরের মাধ্যমে মাঠের দিকে চলে যেত। স্থানীয়দের মতে, এটি ছিল এলাকার প্রধান পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ। সম্প্রতি সেই পথ রাজু মন্ডল ও নাজমুল হোসেন পরিকল্পিতভাবে পুকুরের পাড় মাটি দিয়ে উচু করে বন্ধ করে দেন। এতে তাদের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। 

অভিযোগ রয়েছে, গ্রামবাসীর বাধা উপেক্ষা করে তিনি জোরপূর্বক ওই স্থানে মাটি ভরাট করে উঁচু করে দেন ফলে বর্ষার পানি  স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারছে না। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় বর্ষা মৌসুমে তাদের চলাচলের রাস্তাসহ বাড়ির আশপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। গবাদিপশু নিয়ে বসবাসেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মোড়াইল গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম বলে পানি যাওয়ার পথ বন্ধ করায় বৃষ্টির পানি যাতায়াতের রাস্তায় হাটু প্রর্যন্ত জমে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আরেক বাসিন্দা তাজুল ইসলাম বলেন এ ব্যাপারে  বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ দিলেও  কোন সুরহা হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজু মন্ডল ও নাজমুল হোসেন বলেন, "পুকুরে পানি নামলে মাছের ক্ষতি হয়। এ কারণে পানি নিষ্কাশনের পথটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে বাড়ির পানি নিষ্কাশনের জন্য বিকল্প পথ রয়েছে। অভিযোগকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি করছেন।

মাঝিহট্র ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এসকেন্দার আলী সাহানা বলেন বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার সুরহা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু কোন পক্ষই সমঝোতায় আসে নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন পানির প্রবাহের স্বাভাবিক পথ কেউ বন্ধ করতে পারে না। এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, পানি নিষ্কাশনের পথটি দ্রুত উন্মুক্ত করে দিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান করা হোক। একই সঙ্গে অভিযোগের তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত