উপজেলার লালদীঘি ওয়াকফ স্টেট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় দশম শ্রেণীর ছাত্র হৃদয় বাবুর দাঁত ও হাত ভেঙ্গে দেওয়ার বিষয়ে তার মা শেফালী বেগম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
সরেজমিন গিয়ে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, রাধানগর ও গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তে লালদীঘি ওয়াকফ স্টেট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এর দশম শ্রেণীর ছাত্র হৃদয় বাবু ও সাজ্জাদ হোসেনের মধ্যে স্কুল ব্যাগ নিয়ে দ্বন্দ্বে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও মারামারি হওয়ায়, উক্ত ছাত্র সাজ্জাদের আঘাতে হৃদয় বাবু নামে ছাত্রের একটি দাঁত পড়ে যায় ও হাত ভেঙ্গে যাওয়ায় অভিযোগ হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থী হৃদয় বাবু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। হৃদয় বাবুর মা শেফালী বেগম বলেন- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে বাড়িতে সমস্যার কারণে হৃদয় বাবু দুপুর বারোটার সময় চলে আসে। সমস্যার সমাধান হওয়ার পরে বাড়িতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবার বিদ্যালয়ে যায়।
গিয়ে দেখে তার স্কুল ব্যাগ নেই, একপর্যায়ে জানতে পারে উক্ত ছাত্র সাজ্জাদ স্কুল ব্যাগটি রেখে দেয়। তারপরেই দুজনের মাঝে তর্কবিতর্ক হয়, শিক্ষকেরা বিষয়টি জানতে পেরে হৃদয় বাবুর মাকে ডাক দিয়ে বিদ্যালয় নিয়ে আসে এবং উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক হৃদয় বাবুর স্কুল ব্যাগটি তার মায়ের কাছে বুঝিয়ে দেয়। পরবর্তীতে স্কুল ছুটি শেষে আবার দুজনের মাঝে তর্ক বিতর্ক এবং মারামারি হয়।
সাজ্জাদ নামে ছাত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই হৃদয় বাবুর একটি দাঁত পড়ে যায় ও হাত ভেঙ্গে যায়। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে ছিলেন মাহমুদুল নামে একজন শিক্ষার্থীর বিষয়ে জানা যায়। উক্ত ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থী সাজ্জাদের চাচা নবাব আলী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক দুলাল স্যারের ভাতিজা হচ্ছে শিক্ষার্থী সাজ্জাদ এই কারণে সকল শিক্ষকেরা আহত শিক্ষার্থী হৃদয় বাবুর বিপক্ষে রয়েছে বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন- প্রথম অবস্থায় মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি তবে সমাধান করতে পারিনি। বিদ্যালয়ের ছুটির পরে আবার উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উপজেলার লালদীঘি ওয়াকফ স্টেট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় দশম শ্রেণীর ছাত্র হৃদয় বাবুর দাঁত ও হাত ভেঙ্গে দেওয়ার বিষয়ে তার মা শেফালী বেগম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
সরেজমিন গিয়ে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, রাধানগর ও গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তে লালদীঘি ওয়াকফ স্টেট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এর দশম শ্রেণীর ছাত্র হৃদয় বাবু ও সাজ্জাদ হোসেনের মধ্যে স্কুল ব্যাগ নিয়ে দ্বন্দ্বে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও মারামারি হওয়ায়, উক্ত ছাত্র সাজ্জাদের আঘাতে হৃদয় বাবু নামে ছাত্রের একটি দাঁত পড়ে যায় ও হাত ভেঙ্গে যাওয়ায় অভিযোগ হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থী হৃদয় বাবু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। হৃদয় বাবুর মা শেফালী বেগম বলেন- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে বাড়িতে সমস্যার কারণে হৃদয় বাবু দুপুর বারোটার সময় চলে আসে। সমস্যার সমাধান হওয়ার পরে বাড়িতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবার বিদ্যালয়ে যায়।
গিয়ে দেখে তার স্কুল ব্যাগ নেই, একপর্যায়ে জানতে পারে উক্ত ছাত্র সাজ্জাদ স্কুল ব্যাগটি রেখে দেয়। তারপরেই দুজনের মাঝে তর্কবিতর্ক হয়, শিক্ষকেরা বিষয়টি জানতে পেরে হৃদয় বাবুর মাকে ডাক দিয়ে বিদ্যালয় নিয়ে আসে এবং উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক হৃদয় বাবুর স্কুল ব্যাগটি তার মায়ের কাছে বুঝিয়ে দেয়। পরবর্তীতে স্কুল ছুটি শেষে আবার দুজনের মাঝে তর্ক বিতর্ক এবং মারামারি হয়।
সাজ্জাদ নামে ছাত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই হৃদয় বাবুর একটি দাঁত পড়ে যায় ও হাত ভেঙ্গে যায়। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে ছিলেন মাহমুদুল নামে একজন শিক্ষার্থীর বিষয়ে জানা যায়। উক্ত ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থী সাজ্জাদের চাচা নবাব আলী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক দুলাল স্যারের ভাতিজা হচ্ছে শিক্ষার্থী সাজ্জাদ এই কারণে সকল শিক্ষকেরা আহত শিক্ষার্থী হৃদয় বাবুর বিপক্ষে রয়েছে বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন- প্রথম অবস্থায় মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি তবে সমাধান করতে পারিনি। বিদ্যালয়ের ছুটির পরে আবার উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

আপনার মতামত লিখুন