জামালপুরের ইসলামপুর প্রশাসনের অভিযানের পরেও থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন। উপজেলার দশানী নদীর বিভিন্ন স্পটে
ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছেই। একদিকে নদী ভাঙন ঠেকাতে সরকারি ভাবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধ অন্যদিকে অদূরেই বালু উত্তোলন কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ,উপজেলার সাজেলের চর, হরিনধরা, চতলাপাড়া, টাবুর চরসহ নদীর বিভিন্ন স্পটে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে একটি মহল উত্তোলিত বালু বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। এতে সাজেলের চর বাজার, চতলাপাড়া, হরিনধরা ও টাবুর চর এলাকার বসতবাড়ি, ফসলি জমি, ব্রীজ,সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদী ভাঙ্গনের হুমকির শঙ্কায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ ও আতংঙ্ক বিরাজ করছে।
সাম্প্রতিক দশানী নদীর ভাঙনে খবর প্রকাশ হলে হরিনধরা,কান্দার চর,ডাকপাড়া,টেংরাকুড়া এলাকায় নদীভাঙন রোধে জরুরি প্রকল্পের আওতায় জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের চলমান রয়েছে। অন্যদিকে একটি মহল দশানী নদীর সাজেলের চর থেকে হরিনধরা, চতলাপাড়া, টাবুর চরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে।
নদীর তীর ঘেঁষে বালু উত্তোলনের কারণে তীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভাঙন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই আবার শুরু হয় বালু উত্তোলন। এভাবে চলতে থাকলে সরকারিভাবে বিভিন্ন গ্রামীন অবকাঠামো বাস্তবায়ন, ব্রীজ, রাস্তা, ফসলি জমি,বসতবাড়ি,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
একদিকে জনগণের সম্পদ রক্ষায় সরকারের কোটি কোটি টাকার উদ্যোগ, অন্যদিকে সেই নদীর বালু লুটের অভিযোগ এ যেন একই নদীতে দুই বিপরীত চিত্র। বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করে বালু পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রত ব্যবস্থা
গ্রহনের দাবী জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ধসঢ়; মো.জুবায়ের বলেন,অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমরা একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। এর আগেও ওইসব এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে অভিযানের সময় সেখানে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি।
এরপরও যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়, আবারও অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে হরিণধরা এলাকায় বালু উত্তোলনের বিষয়টি জিওব্যাগ ফেলানোর কাজে ব্যবহারের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের অনুমতিক্রমে করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড,জামালপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, নদীভাঙন ঠেকাতে যেখানে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে, সেখান থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরের ইসলামপুর প্রশাসনের অভিযানের পরেও থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন। উপজেলার দশানী নদীর বিভিন্ন স্পটে
ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছেই। একদিকে নদী ভাঙন ঠেকাতে সরকারি ভাবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধ অন্যদিকে অদূরেই বালু উত্তোলন কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ,উপজেলার সাজেলের চর, হরিনধরা, চতলাপাড়া, টাবুর চরসহ নদীর বিভিন্ন স্পটে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে একটি মহল উত্তোলিত বালু বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। এতে সাজেলের চর বাজার, চতলাপাড়া, হরিনধরা ও টাবুর চর এলাকার বসতবাড়ি, ফসলি জমি, ব্রীজ,সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদী ভাঙ্গনের হুমকির শঙ্কায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ ও আতংঙ্ক বিরাজ করছে।
সাম্প্রতিক দশানী নদীর ভাঙনে খবর প্রকাশ হলে হরিনধরা,কান্দার চর,ডাকপাড়া,টেংরাকুড়া এলাকায় নদীভাঙন রোধে জরুরি প্রকল্পের আওতায় জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের চলমান রয়েছে। অন্যদিকে একটি মহল দশানী নদীর সাজেলের চর থেকে হরিনধরা, চতলাপাড়া, টাবুর চরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে।
নদীর তীর ঘেঁষে বালু উত্তোলনের কারণে তীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভাঙন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই আবার শুরু হয় বালু উত্তোলন। এভাবে চলতে থাকলে সরকারিভাবে বিভিন্ন গ্রামীন অবকাঠামো বাস্তবায়ন, ব্রীজ, রাস্তা, ফসলি জমি,বসতবাড়ি,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
একদিকে জনগণের সম্পদ রক্ষায় সরকারের কোটি কোটি টাকার উদ্যোগ, অন্যদিকে সেই নদীর বালু লুটের অভিযোগ এ যেন একই নদীতে দুই বিপরীত চিত্র। বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করে বালু পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রত ব্যবস্থা
গ্রহনের দাবী জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ধসঢ়; মো.জুবায়ের বলেন,অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমরা একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। এর আগেও ওইসব এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে অভিযানের সময় সেখানে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি।
এরপরও যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়, আবারও অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে হরিণধরা এলাকায় বালু উত্তোলনের বিষয়টি জিওব্যাগ ফেলানোর কাজে ব্যবহারের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের অনুমতিক্রমে করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড,জামালপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, নদীভাঙন ঠেকাতে যেখানে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে, সেখান থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন