বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধ, বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার-এবার সাময়িক বরখাস্ত হলেন রোয়াইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আজাদুর রহমান।
হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় তাঁকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করেছে। গ্রেপ্তারের দিন অর্থাৎ গত ২৯ আগস্ট থেকেই এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আক্কেলপুর থানার একটি মামলায় প্রধান শিক্ষক মো.আজাদুর রহমান পুলিশ কর্তৃক আটক হন। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের বিধান অনুযায়ী আটকের তারিখ থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি মোতাবেক তিনি খোরাকি ভাতা পাবেন।
আদেশের অনুলিপি জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, আক্কেলপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ আগস্ট রাতে উপজেলার রোয়াইড়-রাজকান্দা সড়কের রাজকান্দা মোড়ে হামলার শিকার হন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ (৫৫)।
এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মোছা. শামীমা আক্তার আক্কেলপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধান শিক্ষক আজাদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী ও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. শামীমা নাসরিন, বড় ভাই দুলাল হোসেন ও দারাজ উদ্দিন এবং চাচাতো ভাই গাজীউলসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এজাহারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ গত ২৯ আগস্ট রাতে আক্কেলপুর পৌরশহরের কলেজপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে আজাদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক আজাদুর রহমান। তাঁর দাবি, তাঁকে জুতাপেটার ঘটনায় দায়ের করা আগের মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়ার জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘সাজানো’ মামলা করা হয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধ, বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার-এবার সাময়িক বরখাস্ত হলেন রোয়াইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আজাদুর রহমান।
হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় তাঁকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করেছে। গ্রেপ্তারের দিন অর্থাৎ গত ২৯ আগস্ট থেকেই এ আদেশ কার্যকর হয়েছে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আক্কেলপুর থানার একটি মামলায় প্রধান শিক্ষক মো.আজাদুর রহমান পুলিশ কর্তৃক আটক হন। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলসের বিধান অনুযায়ী আটকের তারিখ থেকে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি মোতাবেক তিনি খোরাকি ভাতা পাবেন।
আদেশের অনুলিপি জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, আক্কেলপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ আগস্ট রাতে উপজেলার রোয়াইড়-রাজকান্দা সড়কের রাজকান্দা মোড়ে হামলার শিকার হন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ (৫৫)।
এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মোছা. শামীমা আক্তার আক্কেলপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধান শিক্ষক আজাদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী ও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. শামীমা নাসরিন, বড় ভাই দুলাল হোসেন ও দারাজ উদ্দিন এবং চাচাতো ভাই গাজীউলসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এজাহারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ গত ২৯ আগস্ট রাতে আক্কেলপুর পৌরশহরের কলেজপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে আজাদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক আজাদুর রহমান। তাঁর দাবি, তাঁকে জুতাপেটার ঘটনায় দায়ের করা আগের মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়ার জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘সাজানো’ মামলা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন