শিক্ষার পাশাপাশি আনন্দ, সৃজনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে নাটোরের গুরুদাসপুরে ইয়াকুব আলী মডেল একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাণবন্ত ক্লাস পার্টি। ‘শিশু মনে স্বপ্ন বুনি’ স্লোগানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রি-প্লে থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান। বিদ্যালয়ের পরিচালক ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গুরুদাসপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রুহুল করিম আব্বাসী তুহিন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ইসরাত জাহান রাঙ্গা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ভালোভাবে পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে এবং বাবা-মা ও শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে।’
তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি নুরুজ্জামান মিন্টু বলেন, শিশুদের মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয়। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও আনন্দঘন আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বিদ্যালয় ও পরিবারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। শিশুদের প্রতি ইতিবাচক ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নিশ্চিত করলে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।
ক্লাস পার্টিকে ঘিরে বিদ্যালয়জুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ। প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী ও অভিভাবকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় শিক্ষার্থীরা। কেক কাটা, আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় মিলনমেলায়।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বাড়াতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষার পাশাপাশি আনন্দ, সৃজনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে নাটোরের গুরুদাসপুরে ইয়াকুব আলী মডেল একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাণবন্ত ক্লাস পার্টি। ‘শিশু মনে স্বপ্ন বুনি’ স্লোগানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রি-প্লে থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান। বিদ্যালয়ের পরিচালক ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গুরুদাসপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রুহুল করিম আব্বাসী তুহিন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ইসরাত জাহান রাঙ্গা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ভালোভাবে পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে এবং বাবা-মা ও শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে।’
তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি নুরুজ্জামান মিন্টু বলেন, শিশুদের মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয়। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও আনন্দঘন আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বিদ্যালয় ও পরিবারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। শিশুদের প্রতি ইতিবাচক ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নিশ্চিত করলে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।
ক্লাস পার্টিকে ঘিরে বিদ্যালয়জুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ। প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী ও অভিভাবকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় শিক্ষার্থীরা। কেক কাটা, আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় মিলনমেলায়।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বাড়াতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন