সরেজমিন দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোনো শহরের প্রধান সড়কের সংস্কারকাজ, নাকি সরকারি অর্থ অপচয়ের মহোৎসব! সাতক্ষীরা শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম পাকাপোল থেকে কেষ্টময়রা মোড় পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণে চরম অনিয়ম ও ইট-মিশালের ভয়াবহ কারসাজির অভিযোগ উঠেছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন জালিয়াতি খালি চোখে ধরা পড়তেই চরম ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসী। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে একজোট হয়ে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাজের শিডিউল ও সরকারি প্রাক্কলন তোয়াক্কা না করে একদম নিম্নমানের, ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ৩ নম্বর ইট ও ঝামা নামধারী মাটিযুক্ত খোয়া দিয়ে তড়িঘড়ি করে রাস্তা ঢেকে ফেলার চেষ্টা চলছে।
পুরো সড়কজুড়ে ইটের চেয়ে ধুলো আর মাটির মিশ্রণই বেশি। বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় দোকানদার ও পথচারীরা একজোট হয়ে কাজে বাধা দেন এবং নির্মাণকাজ পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেন।
ক্ষুব্ধ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের চোখের সামনে সরকারি টাকার এভাবে শ্রাদ্ধ হতে দেওয়া হবে না। ১ নম্বর ইটের বদলে রাস্তার কাজে দেওয়া হচ্ছে একদম গুঁড়ো ইট।
সামান্য বৃষ্টি বা যানবাহন গেলেই এই রাস্তা আবারও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে। অবিলম্বে এই নিম্নমানের ইট-খোয়া রাস্তা থেকে সম্পূর্ণ তুলে নিয়ে যেতে হবে এবং শিডিউল অনুযায়ী এক নম্বর ইট দিয়ে কাজ শেষ করতে হবে। তা না হলে রাজপথে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
এদিকে পৌরসভায় সরাসরি সরকারি প্রশাসক দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় কীভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমন বেপরোয়া ও নিম্নমানের কাজ করার সাহস পায়,তা নিয়ে তীব্র জনক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সচেতন নাগরিক সমাজের প্রশ্ন, তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে কীভাবে প্রকাশ্যে এমন হরিলুট চলছে? তারা কি অন্ধের ভূমিকা পালন করছেন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনো নীরব সমঝোতা?

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সরেজমিন দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোনো শহরের প্রধান সড়কের সংস্কারকাজ, নাকি সরকারি অর্থ অপচয়ের মহোৎসব! সাতক্ষীরা শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম পাকাপোল থেকে কেষ্টময়রা মোড় পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণে চরম অনিয়ম ও ইট-মিশালের ভয়াবহ কারসাজির অভিযোগ উঠেছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন জালিয়াতি খালি চোখে ধরা পড়তেই চরম ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকাবাসী। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে একজোট হয়ে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাজের শিডিউল ও সরকারি প্রাক্কলন তোয়াক্কা না করে একদম নিম্নমানের, ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ৩ নম্বর ইট ও ঝামা নামধারী মাটিযুক্ত খোয়া দিয়ে তড়িঘড়ি করে রাস্তা ঢেকে ফেলার চেষ্টা চলছে।
পুরো সড়কজুড়ে ইটের চেয়ে ধুলো আর মাটির মিশ্রণই বেশি। বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় দোকানদার ও পথচারীরা একজোট হয়ে কাজে বাধা দেন এবং নির্মাণকাজ পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেন।
ক্ষুব্ধ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের চোখের সামনে সরকারি টাকার এভাবে শ্রাদ্ধ হতে দেওয়া হবে না। ১ নম্বর ইটের বদলে রাস্তার কাজে দেওয়া হচ্ছে একদম গুঁড়ো ইট।
সামান্য বৃষ্টি বা যানবাহন গেলেই এই রাস্তা আবারও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে। অবিলম্বে এই নিম্নমানের ইট-খোয়া রাস্তা থেকে সম্পূর্ণ তুলে নিয়ে যেতে হবে এবং শিডিউল অনুযায়ী এক নম্বর ইট দিয়ে কাজ শেষ করতে হবে। তা না হলে রাজপথে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
এদিকে পৌরসভায় সরাসরি সরকারি প্রশাসক দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় কীভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমন বেপরোয়া ও নিম্নমানের কাজ করার সাহস পায়,তা নিয়ে তীব্র জনক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সচেতন নাগরিক সমাজের প্রশ্ন, তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে কীভাবে প্রকাশ্যে এমন হরিলুট চলছে? তারা কি অন্ধের ভূমিকা পালন করছেন, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনো নীরব সমঝোতা?

আপনার মতামত লিখুন