আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভাগ্য বদলেছে জয়পুরহাটের ৩নং আয়মা রসুলপুর ইউনিয়নের কৃষক মোঃ আনিসুর রহমানের। মালচিং পদ্ধতিতে জুলি-১৮ জাতের করলা চাষ করে তিনি ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন।
জমিতে মালচিং পেপার ব্যবহার করায় আগাছা দমন সহজ হয়েছে, সেচের পানি সাশ্রয় হচ্ছে এবং ফসলে রোগ-বালাই অনেক কম। ফলে খরচ কমে ফলন বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আনিসুর রহমানের ক্ষেতে গাছগুলো সতেজ এবং প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় করলা ধরেছে। ভালো মানের করলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করায় তার মুখে এখন হাসি।
কৃষক আনিসুর রহমান বলেন,আগে সনাতন পদ্ধতিতে চাষ করে খরচ বেশি হতো, লাভ কম হতো। কৃষি অফিসের পরামর্শে মালচিং পদ্ধতিতে জুলি-১৮ করলা চাষ করেছি। এখন আগাছা নাই, পানি কম লাগে, ফলনও ভালো। বাজারে ভালো দাম পাচ্ছি। এই পদ্ধতিতে চাষ করে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি।
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, মালচিং পদ্ধতি শ্রম ও খরচ কমায় এবং ফসলের গুণগত মান বাড়ায়। এই পদ্ধতি অন্যান্য কৃষকদেরও অনুসরণের পরামর্শ দেন তারা।
আনিসুর রহমানের এই সাফল্য এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও আধুনিক পদ্ধতিতে চাষে উৎসাহিত করছে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভাগ্য বদলেছে জয়পুরহাটের ৩নং আয়মা রসুলপুর ইউনিয়নের কৃষক মোঃ আনিসুর রহমানের। মালচিং পদ্ধতিতে জুলি-১৮ জাতের করলা চাষ করে তিনি ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন।
জমিতে মালচিং পেপার ব্যবহার করায় আগাছা দমন সহজ হয়েছে, সেচের পানি সাশ্রয় হচ্ছে এবং ফসলে রোগ-বালাই অনেক কম। ফলে খরচ কমে ফলন বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আনিসুর রহমানের ক্ষেতে গাছগুলো সতেজ এবং প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় করলা ধরেছে। ভালো মানের করলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করায় তার মুখে এখন হাসি।
কৃষক আনিসুর রহমান বলেন,আগে সনাতন পদ্ধতিতে চাষ করে খরচ বেশি হতো, লাভ কম হতো। কৃষি অফিসের পরামর্শে মালচিং পদ্ধতিতে জুলি-১৮ করলা চাষ করেছি। এখন আগাছা নাই, পানি কম লাগে, ফলনও ভালো। বাজারে ভালো দাম পাচ্ছি। এই পদ্ধতিতে চাষ করে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি।
স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, মালচিং পদ্ধতি শ্রম ও খরচ কমায় এবং ফসলের গুণগত মান বাড়ায়। এই পদ্ধতি অন্যান্য কৃষকদেরও অনুসরণের পরামর্শ দেন তারা।
আনিসুর রহমানের এই সাফল্য এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও আধুনিক পদ্ধতিতে চাষে উৎসাহিত করছে।

আপনার মতামত লিখুন