রাজশাহী মহানগরীর কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি হাসুয়া, তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা একটি মোবাইল ফোনে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মনোগ্রাম ব্যবহার এবং ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ নামে একটি নম্বর সংরক্ষিত থাকার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন,এস এম হাসান মুক্তাদির কিউট (২৩), সে চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম এলাকার এস এম এহসান উদ্দিন বাদশার ছেলে ও তার মা বিনা পঞ্চবটি এলাকার একজন চিন্হিত সুদ কারবারি। সে একজন চিন্হিত ছিনতাইকারী ও তার নামে একাধিক ছিনতাই মামলা চলমান। বর্তমানে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
অপরজন মো. সিফাজ হোসেন (২৫), সে বোয়ালিয়া থানাধীন কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে আরএমপি’র পাঠানো এক প্রেস বিঙ্গপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টার দিকে কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনক অবস্থায় দুজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে কিউটের কাছ থেকে লোহার বাটযুক্ত ৩১ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া, একটি ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন ও একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। সিফাজের কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত ২৬ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থানের কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়া কিউটের কাছ থেকে উদ্ধার করা ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করে সরকারি কর্মচারীর পরিচয় দেওয়ার মাধ্যমে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের দাবি, সরকারি কর্মচারী না হয়েও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম ব্যবহার এবং ওয়্যারলেস সদৃশ ডিভাইসের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে অপরাধের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার কিউটের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় পেনাল কোডের ধারায় সাতটি এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে সিফাজের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পেনাল কোডের ধারায় একটি এবং চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় বোয়ালিয়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহী মহানগরীর কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকায় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি হাসুয়া, তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা একটি মোবাইল ফোনে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মনোগ্রাম ব্যবহার এবং ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ নামে একটি নম্বর সংরক্ষিত থাকার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন,এস এম হাসান মুক্তাদির কিউট (২৩), সে চন্দ্রিমা থানার ছোটবনগ্রাম এলাকার এস এম এহসান উদ্দিন বাদশার ছেলে ও তার মা বিনা পঞ্চবটি এলাকার একজন চিন্হিত সুদ কারবারি। সে একজন চিন্হিত ছিনতাইকারী ও তার নামে একাধিক ছিনতাই মামলা চলমান। বর্তমানে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
অপরজন মো. সিফাজ হোসেন (২৫), সে বোয়ালিয়া থানাধীন কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে আরএমপি’র পাঠানো এক প্রেস বিঙ্গপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টার দিকে কয়েরদারা খ্রিষ্টানপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনক অবস্থায় দুজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে কিউটের কাছ থেকে লোহার বাটযুক্ত ৩১ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া, একটি ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোন ও একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। সিফাজের কাছ থেকে কাঠের বাটযুক্ত ২৬ ইঞ্চি লম্বা একটি হাসুয়া ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থানের কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়া কিউটের কাছ থেকে উদ্ধার করা ওয়্যারলেস সদৃশ মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করে সরকারি কর্মচারীর পরিচয় দেওয়ার মাধ্যমে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের দাবি, সরকারি কর্মচারী না হয়েও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম ব্যবহার এবং ওয়্যারলেস সদৃশ ডিভাইসের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীর ছদ্মবেশ ধারণ করে অপরাধের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার কিউটের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় পেনাল কোডের ধারায় সাতটি এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে সিফাজের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় পেনাল কোডের ধারায় একটি এবং চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় বোয়ালিয়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন