প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা ভোমরা বন্দরে বিদায়ী অর্থবছরে ৬০ হাজার ৪৮২ মেট্রিকটন শুকনো ঝাল আমদান
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশীয় মুদ্রায় ১ হাজার ৬৬৫ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভারত থেকে ৬০ হাজার ৪৮২ মেট্রিকটন শুকনা ঝাল আমদানি হয়েছে। রান্নার কাজে ব্যবহৃত শুকনা ঝালের চাহিদা মেটাতে সরকার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিগত বছরের জুলাই থেকে আমদানিকারকদের শুকনা ঝাল আমদানির অনুমতি দেয়।অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জুলাই থেকে এ বন্দর ব্যবহার করে নিয়মিত শুকনা ঝাল আমদানি করে। কাস্টমস হাউজের রাজস্ব শাখার কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত নিশ্চিত করেছেন। বন্দর ব্যবসায়ীরা বলছেন, পর্যাপ্ত শুকনাঝাল আমদানি হলেও গ্রাম বা শহর অঞ্চলের হাট বাজারগুলোতে সরবরাহ একেবারেই কম। ফলে স্থানীয় বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি।ক্রেতা সাধারণ অভিযোগ করে বলছেন, বন্দরে আমদানিকৃত শুকনা ঝাল স্থানীয় হাটবাজারে না আসায় ক্রয়মূল্যে পরিবর্তন হয়নি। এখনও কেজিপতি শুকনা ঝাল ৪০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। যা কিছুদিন আগে প্রতি কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, নিত্যপণ্য শুকনা ঝালের মূল্য স্থিতিশীল ও চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমদানি করলেও সাধারণ ক্রেতারা ক্রয়মূল্যের সুবিধা পাচ্ছে না।গ্রামের অধিকাংশ হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, যেমন ভোমরা, শ্রীরামপুর, কুলিয়া, শাঁখরা, মাহুদপুর, ভাড়–খালী, ঘোনা, কাথন্ডা, বৈকারী ও কুশলে বাজারে কোন অংশে কমিনি শুকনা ঝালের দাম। বরং দিন দিন মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া কমার কোন সম্ভাবনা নেই। একাধিক পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিকৃত ঝালের লট জেলার বাইরে চলে যাওয়ায়ে স্থানীয় বাজারে এর তেমন কোন প্রভাব নেই। ফলে মূল্য কমার কোন সম্ভাবনা নেই।আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা বলছেন, অর্থ বছর থেকে শুরু হওয়ার শুকনো ঝালের আমদানি এখনো চলমান রয়েছে। শুকনা জলের সংকট হওয়ার কথা না। তবে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা শুকনো ঝালের সংকট দেখিয়ে বাজারে মূল্য বৃদ্ধির অশুভ পায়তারা চালাতে পারে। কেননা, রান্নার কাজে শুকনো বা গুরুঝালের চাহিদা থাকায় ঝালের কৃত্রিম সংকট তৈরি
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত