প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
ডোমারে বীমা কোম্পানির নামে প্রতারণার অভিযোগ
নীলফামারীর ডোমারে আল বারাকা ইসলামী বীমা কোম্পানির নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ডোমার অফিসের এজিএম মমিনুর ইসলাম লিথুর বিরুদ্ধে। বীমার মেয়াদ শেষ হলেও টাকা দিচ্ছেন না অনেককে। আবার দু'বছর এক বছর কিস্তির টাকা গ্রহণ করে পরে তাদের সাথে আর কোন যোগাযোগ করছেন না। বীমা গ্রহীতাদের ১০বছর মেয়াদের কথা বললেও কাগজে কলমে তা ১৫বছর দেখানো হয়েছে। অনেকের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও তাদেরকে জানানো হচ্ছে আরও দু'বছর কিস্তি চালাতে হবে। অনেকে মৃত্যু বরন করলেও তাদের দেয়া হয়নি মৃত্যু দাবীর চেক। মাঝে মধ্যে দু-একজকে মৃত্যু দাবী, মেয়াদ পূর্ন কিংবা বোনাসের চেক বিতরণ করা হয় ঘটা করে।যাতে তার প্রতারণার বিষয়টি কেউ বুঝতে না পারে। ডোমারে একটি অফিস খুলে সেখানে চালানো হয় কার্যক্রম। আল-বারাকাহ ইসলামী বিমা পপুলার লাইফ ইন্সুইরেন্স কোঃলিঃ নামের ওই অফিসে কয়েকটি পদ থাকলেও তিনি একাই সকল দায়িত্ব পালন করেন।মমিনুল ইসলাম লিথু নিজেকে এজিএম পরিচয় দিলেও ডোমার অফিসে তিনি ম্যানেজার তিনি সুপারভাইজার আবার তিনিই মাঠ কর্মী। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তিনি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেন। তিনি এলাকাবাসীর কাছে মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তার ১৫থেকে ২০টি মামলা চলমান রয়েছে। বেশির ভাগ মামলার বাদী তিনি। তিনি এলাকায় মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত। সর্বশেষ বীমার মেয়াদ পূর্ন হলে তার কাছে বীমার হিসাব চাইতে গিয়ে ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বেতগাড়া গ্রামের মৃত বাবুল ইসলামের ছেলে লায়ন ইসলামের নামে ডোমার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বেতগাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে ৩টি পাড়ায় প্রায় এক হাজার মহিলার কাছ থেকে বীমার কথা বলে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। এসকল বীমা গ্রহীতার বেশীর ভাগই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিন্ম আয়ের এবং সকলেই মহিলা। এভাবেই ডোমার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হাজার হাজার মহিলার কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কেউ কিছু বললে মামলার হুমকি দেয়া হয়। এ বিষয়ে মমিনুল ইসলাম লিথুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার অফিসের তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত